১) মার্ক্সবাদীরা মানে রাজনৈতিক ক্ষমতা শ্রমিক শ্রেনীকে ছিনিয়ে নিতে হবে এবং অনেক গুরুত্ব পূর্ণ শিল্পের শ্রমিক শ্রেণির ম্যানেজমেন্টে থাকা রাষ্ট্রের অধীনে আনতে হবে।
২) সামাজিক গণতন্ত্র বলে পুঁজিপতিদের ওপর বেশি কর চাপিয়ে সেই অর্থ শ্রমিক শ্রেণির স্বার্থে ব্যবহার করতে (লেনিনবাদি মতে এইটা আসলে অনুন্নত দেশ লুট করে তার একটা অংশ উন্নত দেশের শ্রমিক শ্রেণিকে দেওয়া)।
৩) ওক লিবারাল ফুকো ইত্যাদি মনে করে লিঙ্গ আর পরিচয়বাদ নিয়েই ব্যস্ত থাকুক সমাজ কারণ অর্থনৈতিক সমস্যা আর প্রধান নেই কারণ পুঁজিবাদ প্রাচুর্য্য আনতে সক্ষম হয়েছে।
১ আর ২ নিজেরা নিজেদের সমাজতন্ত্রী বলে।
৩ নিজেদের সমাজতন্ত্রী বলে না।
অর্থাৎ ৩ থেকে ২ তে বর্তমানে আমেরিকা যে গেছে সেটা পুঁজিবাদের সংকটকেই তুলে ধরছে।
৩ থেকে ২ যাত্রা প্রমাণ করছে পুঁজিবাদ অর্থনৈতিক সমস্যা খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই সমাধান করতে অপারগ।
ইউরোপের বর্তমান আন্দোলন প্রমাণ করছে ২ দিয়েও কাজ হচ্ছেনা (কারণ চীনের উত্থানে উচ্চ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে পশ্চিমের একচেটিয়া রাজত্ব শেষ হচ্ছে ও তৃতীয় বিশ্ব লুটের আয় কমিয়ে দিয়েছে, ইউক্রেইন ও ইরান যুদ্ধও কারণ)।
অর্থাৎ ১ ছাড়া যে উপায় নেই সেটা প্রমাণের একটা সিঁড়ি মার্কিন নির্বাচনের বর্তমান ফলাফল।
Author: Saikat Bhattacharya