ইরান কে চীন বেইদৌ স্যাটেলাইট নেভিগেশন দিয়ে প্রিসিসন আঘাত হানতে হেল্প করে ইসরাইলের অভ্যন্তরে।
মাদুরোকে অপহরণ করেছে মার্কিন সরকার, কিন্তু ভেনিজুয়েলার সাথে যুদ্ধ করতে পারেনি। মাদুরো অপহৃত হওয়ার পরেও ভেনিজুয়েলার ক্ষমতায় মাদুরোর সমাজতান্ত্রিক Chavismo MAS (Movement towards Socialism) পার্টি এখনো ক্ষমতায় আর তারা মার্কিন সরকারকে কিছুই দেবেনা। মার্কিন সরকারকে Chavismo হটাতে হবে, যদি ভেনেজুয়েলা থেকে কিছু পেতে হয়।
Oposison পার্টি কে দিয়ে 2018 সালে Chavismo হটাতে পারেনি। যুদ্ধ করতে গেলে চীন ও রাশিয়ার সাহায্যে ভয়ংকর Chavismo গেরিলা আক্রমণের মুখে পড়ার ভয় আছে। মনে রাখা দরকার ৩ কোটি ভেনেজুয়েলাবাসীর মধ্যে ৮০ লক্ষ মানুষ গণ মিলিশিয়াতে যোগ দিয়েছে এই বছর মার্কিন আগ্রাসন আটকাতে। তাই মার্কিন সরকার যুদ্ধ না করে অপহরণ করে ভয় দেখিয়ে ডিল পেতে চাইছে Chavismo সরকারের থেকে। অবশ্যই Chsvismo কোনো ডিল দেবেনা ট্রাম্পকে। তাই এই অপহরণ একটা মূর্খের কাজ মার্কিন পক্ষ থেকে।
চীন তার তেল চাহিদার মাত্র 0.24% ভেনেজুয়েলা থেকে কেনে। এর কারণ চীনের থেকে ভেনিজুয়েলার পরিবহন খরচ অনেক বেশি, সৌদি রাশিয়া ইরান ইরাক অনেক কাছে আর পরিবহন খরচ অনেক কম। চীন অনেক বিনিয়োগ করে ভেনেজুয়েলাকে হেল্প করে আসছে বটে কিন্তু সেটা থেকে চীনের বিশাল কোনও লাভ হয়না।
ভেনিজুয়েলায় প্রচুর ডোল দেওয়া হয় যেমন গৃহিণীদের রাষ্ট্রীয় স্যালারি, 70% above 60 yrs মানুষকে পেনসন, ইত্যাদি। ফলে শ্রম বাজার inefficient। মজুরি অতিরিক্ত বেশি। আবার রাষ্ট্রের কাছে রেভিনিউও কম বাঁচে আর তাই পরিকাঠামোতে বিনিয়োগও কম করতে পারেনা ভেনেজুয়েলা সরকার। ফলে বিনিয়োগ উপযোগী নয় ভেনেজুয়েলা। ডোল বন্ধ করলে Chsvismo জনপ্রিয়তা হারাবে। তাই ডোল বন্ধ করাও কঠিন।চীন এই সমস্যাগুলো সমস্যা জানে।
চীন ভেনেজুয়েলাকে বেস্ট অস্ত্র দেবেনা কারণ মার্কিন যে কোনোদিন আক্রমণ করে সেগুলো দখল করে চীনের প্রযুক্তি বুঝে নিতে চাইবে। মার্কিন সরকারও এই জন্যেই নিজের বেস্ট প্রযুক্তি তাইওয়ানকে দেয়না।
ভুরাজনীতি বোঝা অনেক কঠিন।
এটা সাংসারিক ঝগড়া না।
Author: Saikat Bhattacharya