৫৭ হাজার কোটি টাকা মানে প্রায় ৫৭০ বিলিয়ন টাকা। বর্তমান বিনিময় হারে এটি দাঁড়ায় প্রায় ৪.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
ট্রিভিয়াঃ
রাশিয়ার Sukhoi Su-57 ইউনিটপ্রতি প্রায় ৫০ মিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ এই টাকা দিয়ে পাওয়া যেত প্রায় ৯৪টি বিমান।
যুক্তরাষ্ট্রের F-35A Lightning II এর দাম গড়ে ৮২.৫ মিলিয়ন ডলার; এতে কেনা যেত প্রায় ৫৬টি।
অপেক্ষাকৃত সস্তা F-16V মডেল ধরা হলে (৭০ মিলিয়ন ডলার ইউনিটপ্রতি) পাওয়া যেত ৬৬টি। তবে পূর্ণ প্যাকেজসহ কিনলে প্রতিটির খরচ ১২০ মিলিয়নের কাছাকাছি, তখন সংখ্যা নেমে আসত মাত্র ৩৮টি।
ফ্রান্সের Dassault Rafale এর দাম ১০০ থেকে ১২৫ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে, এই টাকায় পাওয়া যেত প্রায় ৩৭ থেকে ৪৬টি।
যুক্তরাষ্ট্রের Boeing F-15EX ইউনিটপ্রতি ১১৭ মিলিয়ন ডলার হলে কেনা যেত ৪০টি।
রাশিয়ার আরেকটি জনপ্রিয় ফাইটার Sukhoi Su-35 (প্রতি ইউনিট ৮৫ মিলিয়ন ডলার) হলে সংখ্যা দাঁড়াতো প্রায় ৫৪টি।
আর চীনের Chengdu J-10C তুলনামূলকভাবে অনেক সস্তা (৪৫–৫০ মিলিয়ন ডলার)। এ ক্ষেত্রে কেনা যেত ৯৩ থেকে ১০৩টি বিমান।
পুনশ্চঃ
এখানে কেবল “ফ্লাইঅয়ে কস্ট” ধরা হয়েছে, অর্থাৎ শুধু বিমানের মূল দাম। কিন্তু প্রকৃত চুক্তিতে রাডার, অস্ত্র, ট্রেনিং, রক্ষণাবেক্ষণ ও লজিস্টিক সাপোর্ট মিলিয়ে ব্যয় সাধারণত দ্বিগুণ বা তিনগুণ হয়ে যায়।
পুনঃ পুনশ্চঃ
এই বিপুল অর্থ দিয়ে সহজেই একাধিক স্কোয়াড্রন তৈরি করা সম্ভব। আমরা কি পারব?
যারা বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা আর এয়ার ডিফেন্স নিয়ে উদ্বিগ্ন, তাদের অনেস্ট অপিনিয়ন জানতে চাই।
Author: Saikat Bhattacharya