সৌদির দুই দরজাই বন্ধ, বিলিয়ন ডলারের বাইপাস এখন জঞ্জাল।
সৌদি আরব ভেবেছিল টাকা দিয়ে ভূগোল কেনা যায়। ইরানের ভয়ে তারা একটা অহংকারী প্ল্যান বানিয়েছিল - হরমুজ বন্ধ হলে তেল পূর্ব দিয়ে না গিয়ে পশ্চিমে যাবে, উপদ্বীপ চিরে ইয়ানবু দিয়ে লোহিত সাগরে বেরিয়ে যাবে।
এই অহংকার কিছুদিন কাজ করেছে।
কিন্তু রিয়াদ ভুলে গিয়েছিল, যুদ্ধের নিয়ম টাকা লেখে না, ভূগোল লেখে।
এবার বাব এল-মান্দেবের মুখে দাঁড়িয়ে গেছে ইয়েমেন। সৌদি ট্যাংকারে আঘাত, জাহাজ আটক, এবং সরাসরি ঘোষণা - এই পানি এখন আমাদের অনুমতি ছাড়া চলবে না।
হিসাব এখানেই শেষ।
একটা দরজা বন্ধ হলে সেটা সংকট, বিকল্প খোঁজা যায়। দুই দরজা একসাথে বন্ধ হলে সেটা মৃত্যুফাঁদ। বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানিকারকের এখন কোনো পরিষ্কার রাস্তাই নেই।
উপসাগর যে বাইপাসের পেছনে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার পুড়িয়েছে, সেই পাইপলাইন এখন আর বাইপাস নয়, সোজা দ্বিতীয় অবরোধের দিকে যাওয়া একটা লম্বা ফাঁদ।
বাজার রিয়াদের চেয়ে অনেক বেশি চালাক। তাই ব্রেন্ট একদিনে ৬ ডলার লাফিয়ে ১০০ ডলার পার করেছে, আমেরিকায় গ্যাস ৪ ডলারের ওপরে।
ইরানকে পুরো মধ্যপ্রাচ্য বন্ধ করতে হয়নি। একটা গুলিও খরচ করতে হয়নি। শুধু দুই দরজায় দুজন পাহারাদার বসিয়ে দিয়েছে, আর সৌদি আরব নিজের টাকায় বানানো জেলখানায় নিজেই বন্দি।
Md Hossain
Author: Saikat Bhattacharya