ট্রাফিক পুলিশের কাজ অত্যন্ত কঠিন।
এই কাজ একজন সুস্থ শিক্ষিত মানুষের পছন্দের কাজ হতে পারেনা।
এবার দেখুন রোবোট এই কাজ নিয়ে নিচ্ছে এবং আরো নিখুঁতভাবে করছে।
অর্থাৎ সমাজের পরিষেবার মান ও মূল্য বাড়ছে কিন্তু এই রোবোট মেন্টেইন করার খরচও খুব বেশী না।
এখন সেই ট্রাফিক পুলিশের কাজটা রোবোট নিল, তার মাইনে কাটার দরকার আছে কি?
মার্ক্সবাদ বলে ট্রাফিক পুলিশ আগে যেই মাইনে পেত তার থেকে রোবোট মেন্টেইন করার খরচ বাদ দিয়ে মাইনের বাকি অংশ যদি ট্রাফিক পুলিশোটাকে দেওয়া হয় তাহলে সমাজ লাভবানই হবে।
কারণ তাতে চাহিদাও কমবেনা আর যোগান তো বাড়ছেই।
ট্রাফিক পুলিশকে আপাতত অন্য কোনো অপছন্দের কাজ দেওয়া যায় যতদিন না সেই কাজও রোবোট নিয়ে নেয়।
রোবোট যখন এরকম ভাবে সমস্ত অপছন্দের কাজ নিয়ে নেবে এবং আরো ভালোভাবে করবে, তখন মানুষ শুধু সেই কাজটাই করবে যেই কাজটা তার করতে ভালো লাগে অর্থাৎ বিনিময় মূল্যের জন্য বা অর্থ উপার্জনের জন্য সেই কাজ সে আর করবেনা।
সেটাই কমিউনিস্ম।
কিছুদিন আগে চীনের এক আদালত একটা যুগান্তকারী রায় দিয়েছে।
একটা বেসরকারী কম্পানি একজন কর্মচারীকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেয় এই বলে যে কম্পানি এ আই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) ব্যবহার বাড়য়েছে আর তাই সেই কর্মচারীর প্রয়োজন ফুরিয়েছে।
তখন সেই কর্মচারী চীনের আদালতের কাছে বিচার চায়।
আদালত রায় দেয়, 'এ আই ব্যবহার কম্পানির রেভিনিউ বাড়াচ্ছে, এই বৃদ্ধি পাওয়া রেভিনিউ-এর সুফল একা কম্পানির মালিক পেতে পারেনা। এর সুফল শ্রমিক এবং ভোক্তাকেও দিতে হবে। যেহেতু রেভিনিউ কমছেনা, তাই কর্মচারীকে কাজে বহাল রাখতে হবে এবং প্রয়োজনে অন্য কাজ কম্পানিতে দিতে হবে কারণ এ আই - এর সুফল কর্মচারীদেরও পাওয়া উচিত।'
Author: Saikat Bhattacharya