কমিউনিস্মের পথে এগোচ্ছে চীন। উৎপাদনকে করে তুলছে আরও স্বয়ঙ্ক্রিয়। ব্যবহার করছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত রোবট। কমিউনিস্মের মূল কথা মেশিন সমস্ত প্রয়োজনীয় কিন্তু অনাকাঙ্খিত কাজ করবে আর মানুষ শুধু এমন কাজ করবে যেটা তার করতে ভালো লাগে।
বেইজিং-হংকং-ম্যাকাও এক্সপ্রেসওয়ের ১৫৭.৭৯ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি অংশ সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রীয় যন্ত্রের সাহায্যে সম্পন্ন করা হয়েছে, যেখানে কাজে সরাসরি কোনো মানুষের হস্তক্ষেপ ছিল না। অটোমেটেড মহাসড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে এটিই বিশ্বের প্রথম উদাহরণ।
এই প্রকল্পের নেতৃত্বে ছিল যন্ত্রপাতি নির্মাতা বৃহৎ প্রতিষ্ঠান স্যানি (Sany), যারা একটি ২০-মিটার চওড়া চালকবিহীন পেভার, ছয়টি ডাবল-ড্রাম রোলার এবং তিনটি রাবার-হুইল রোলার ব্যবহার করেছে।
সবগুলোই নিখুঁতভাবে সমন্বিত বিন্যাসে কাজ করেছে। এর প্রতিটি পদক্ষেপ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অ্যালগরিদম এবং চীনের বেইডু স্যাটেলাইট সিস্টেম দ্বারা পরিচালিত হয়েছে, যা পুরো কাজ জুড়ে সেন্টিমিটার-স্তরের নির্ভুলতা নিশ্চিত করেছে।
মানব তত্ত্বাবধায়করা কেবল দূর থেকে কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেছেন। বাকি সবকিছু — অ্যাসফল্ট বিছানো, কম্প্যাক্ট করা এবং ফিনিশিংয়ের কাজ — যন্ত্রগুলোই একবারেই সম্পন্ন করেছে, যা প্রচলিত মানব-চালিত নির্মাণকাজের চেয়েও বেশি নির্ভুল ও দ্রুতগতির।
এটি কোনো কোনো টেষ্ট বা পাইলট প্রজেক্ট ছিল না। এটি চীনের অন্যতম ব্যস্ততম একটি মহাসড়কে অটোমেটেড সড়ক নির্মাণের বাস্তব প্রয়োগ ছিল।
Author: Saikat Bhattacharya