USA vs China

চীনের কোয়ান্টাম রাডার : বিশ্বের ক্ষমতা ভারসাম্য বদলে দিগন্তের উন্মোচন

29-November-2025 by east is rising 71

লিখেছেন সইস ইসলাম

চীনা বিজ্ঞানীরা যুগান্তকারী এক রাডার আবিস্কার করতে সক্ষম হয়েছেন। এটি কোয়ান্টাম টেকনোলজি নির্ভর একটি রাডার সিস্টেম যা ফোটন কণার সাথে সমগোত্রীয় ফোটন কণার সংযোগ ঘটানোর মাধ্যমে ১০০ কিলোমিটার দুরের কোনো স্টেল্থ বৈশিষ্ট্য ধারী চলমান বস্তু যেমন ফাইটার জেট, বোম্বার, ইউ এ ভি এমনকি মিসাইল সনাক্ত করতে সক্ষম হবে।

এই যুগান্তকারী আবিস্কারের ফলে এতো দিন আকাশে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার ও বজায় কারী লক হিড মার্টিনের এফ ২২ রেপ্টর, এফ ৩৫, বি টু বোম্বার্ডার যা যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো সামরিক বাহিনী ব্যবহার করে অথবা এস ইউ সিরিজের সুখাই ৫৭ ইত্যাদি কিংবা অন্যান্য সেমি স্টেল্থ ফাইটার ও একই বৈশিষ্ট্য ধারী ইউ এ ভি এখন এই চীন কোয়ান্টাম রাডার এর নজরে পতিত হবে।

এই প্রযুক্তিগত সামরিক ও নিরাপত্তা ইকুইপমেন্ট আবিস্কারের ঘটনা আবারও আঞ্চলিক ও বিশ্ব সামরিক ভারসাম্য ও নিরাপত্তা আউটলুকে ব্যপক সক্ষমতা কেন্দ্রীক ভারসাম্যে বৈষম্য সৃষ্টি করবে বলা যায়। চীন নিজের জন্য ও তার সামরিক ও বানিজ্যিক কৌশলগত পার্টনারদের জন্য এই রাডার সুবিধা অবারিত করলে প্রথমত দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব থেকে তাইওয়ান প্রণালী এবং তার এক পাশে পশ্চিম এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য অন্যদিকে মধ্য এশিয়ার দেশগুলোকে নেট সিকিউরিটি প্রোভাইডার হিসেবে সরাসরি চীন না হলেও দেশটির এক নম্বর এলাই পাকিস্তানকে প্রতিষ্ঠিত করবে। এই ডেভেলপমেন্ট ভারত, তাইওয়ান এমনকি ইসরায়েলের accessibility to security nexus প্রক্রিয়াকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে তুলবে।

উপরন্তু সংশ্লিষ্ট এলাকায় যুক্তরাষ্ট্রের নৌ ফ্লিট গুলোর অবস্থান ও গতিবিধি পর্যবেক্ষিত হওয়ার ঝুঁকি বিবেচনায় এই নম্বর ওয়ান সামরিক শক্তিধর দেশটিকে এর পুরো ডক্ট্রিন নতুন আদলে রিডাইরেক্ট করতে হবে। পাশাপাশি পাল্টা প্রযুক্তির উদ্ভাবনে একটা বড় অর্থ

বিনিয়োগের বিষয়টি তো বলার অপেক্ষা রাখে না।

বাংলাদেশ কে হয়তো অদূর ভবিষ্যতে এই কঠিন বাস্তবতার বিবেচনায় এর নিরাপত্তা আউটলুকে বেশ কিছু সংস্কার সাধন করতে হবে। পরিস্থিতিটা সেই দিকে যাচ্ছে যেমনটা হয়েছিল জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন এর যবনিকা কালে। বরং এখন নির্ভেজাল মধ্য পন্থা অবলম্বনের স্পেস ক্রমশ সংকীর্ণ হয়ে যাচ্ছে তদস্থলে অনুপ্রবিষ্ট হচ্ছে, ন্যনো স্ট্র্যাটেজি। ন্যানো সেন্স

ডিপ্লোমেটিক এপ্রোচ। এটা বাইডেনের জমানায় আত্মপ্রকাশিত হয় যা সর্ব প্রথম শি জিন পিং আত্মস্থ করে এবং তড়িৎ গতিতে তাঁর আঞ্চলিক এমনকি বিশ্ব আউটলুকে সন্নিবেশিত করেন। এই বিদ্যা চীনের প্রধান শিষ্য পাকিস্তান অতি দক্ষতার সহিত রপ্ত করে এবং তা প্রয়োগে নিয়োজিত হয়। এর ফলাফল আসে আশাতীত মাত্রায়। ইরানের সাথে ঘনিষ্ঠ মিত্রতা এবং অপারেশন সিঁদুরে অভাবনীয় সাফল্য প্রদর্শনের পর খোদ ট্রাম্পের

নেক নজরে আসা। ব্যক্তিগত পর্যায়ে পছন্দ প্রকাশ করা এবং নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য ট্রাম্প এর নাম প্রস্তাব করার মধ্য দিয়ে এই নব ডিপ্লোম্যাসি একটা পরিনতির বার্তা প্রদান করে। গভীর ভাবে পর্যবেক্ষণ করলে অনুধাবন করা যায় এর পিছনে শি জিন পিং এর ছায়ার উপস্থিতি। একটি রাডার আবিস্কারের ঘটনা এমন কোনো বড় আকারের পরিবর্তনের কারণ হতে পারে না। হয় নি। কিন্তু এই রাডার আবিস্কার শুধু কোনো যন্ত্র তৈরির কাহিনি নয়। বরং বিশ্বের ক্ষমতা ভারসাম্য বদলের সুস্পষ্ট এক দিগন্তের উন্মোচন।

Author: Saikat Bhattacharya


You may also like



A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: touch(): Unable to create file ci_session/ci_sessionv1vgv67f338njdp7h0so1gmai0q41e4e because No such file or directory

Filename: drivers/Session_files_driver.php

Line Number: 252

Backtrace:

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: session_write_close(): Failed to write session data using user defined save handler. (session.save_path: ci_session, handler: CI_Session_files_driver::updateTimestamp)

Filename: Unknown

Line Number: 0

Backtrace: