১৯৪৬ সালের ১৯শে জুলাই বাবা সাহেব ভীমরাও আম্বেদকর অবিভক্ত বাংলার (undivided Bengal) যশোর-খুলনা সংরক্ষিত আসন থেকে মুসলিম লীগের সমর্থনে সংবিধান সভার সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
প্রথমে তিনি বোম্বাই প্রদেশ থেকে নির্বাচিত হবার চেষ্টা করলেও সেখানে পরাজিত হন। পরে মুসলিম লীগ এবং বাংলার কিছু মুসলিম লীগের দলিত নেতার (যেমন যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডল) সহায়তায় তিনি অবিভক্ত বাংলার এই আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে সংবিধান সভায় প্রবেশ করেন।
সংবিধান রচনা করেন, SC রা প্রশাসনিক ও আইন বিভাগ সব জায়গাতে সংরক্ষণের সুবিধা পাওয়া শুরু করে, এস.সিরা সামাজিক সুরক্ষা পেতে শুরু করে। । আর যে মুসলমানদের সাহায্য নিয়ে মুসলিম লীগের টিকিটে বাংলার যশোর খুলনা থেকে আম্বেদকর সংবিধান সভায় যাওয়ার সুযোগ পায়... তার ফলে SC রা আজকের এই যা সরকারি সুযোগ সুবিধা বর্তমান... আর যে মুসলিমদের জন্য(যেহেতু মুসলিমরাই আম্বেদকর কে সংবিধানসভায় পাঠিয়েছিল) বাংলার SC সমাজ উচ্চ জাতির থেকে চর থাপ্পড়, অচ্ছুত হওয়া থেকে বেঁচে আছে...ঘোড়ার পিঠে উঠলে কেউ কিছু বলে না, শ্মশানে পড়ানোর সুবিধা পাচ্ছে, পুকুর ও কুয়াত, টিউবওয়েল জল খাওয়ার সুবিধা পাচ্ছে... সেই মুসলিমদেরকেই ওরা এখন ধর্মের চোখে দেখে... সাম্প্রদায়িকভাবে ঘৃণা ছড়াচ্ছে, যেটা আপনি আপনার পোস্টে উল্লেখ করেছেন।
আর একটা কথা বলি, আম্বেদকর স্বাধীনতার পর শিডিউল কাস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়া নামক দল করে সেই দলের ভোটে দাঁড়ায় SC রা কেউ তাকে ভোট দেয় নি... আম্বেদকর গো হারা হেরে যায়... যে এস.সি সমাজ আম্বেদকর কে মনে রাখেনি তারা মুসলিমদের অবদান কি মনে রাখবে !
Author: Saikat Bhattacharya