তাপস বিশ্বাস
এটি ব্রিটিশ ভারতের অবিভক্ত বাংলার ম্যাপ।
সেই সময় সিলেট আসামের সাথে যুক্ত ছিল। তাই এই ম্যাপে সিলেটের নাম নেই।
আগে পুরুলিয়ার নাম ছিল মানভূম যা ছিল বিহারের অন্তর্গত। তাই এই ম্যাপে পুরুলিয়ার নাম নেই।
কুমিল্লা একসময় ত্রিপুরা রাজ্যের অংশ ছিল। যা আগে ত্রিপুরা জেলা নামে পরিচিত ছিল। আর বাদ বাকি ত্রিপুরা আলাদা তখনো করদ রাজ্য ছিল।
কোচবিহার জেলাটি অতীতে কা'মরূপ রাজ্যের অন্তর্গত ছিল। কা'মরূপের রাজধানী দ্বিধাবিভক্ত হলে কোচবিহার 'কামতা'-র অন্তর্গত।
সপ্তদশ শতাব্দীর মধ্যভাগে রচিত শাহজাহাননামা গ্রন্থে কোচবিহার নামটির উল্লেখ পাওয়া যায়।
অষ্টাদশ শতাব্দীতে মেজর রেনেলের মানচিত্রে কোচবিহার 'বিহার' নামে উল্লিখিত হয়।
১৭৭২ সালে ভুটানের সঙ্গে সং'ঘর্ষের জেরে কোচবিহার-রাজ ধৈর্যেন্দ্র নারায়ণ ও ওয়ারেন হেস্টিংসের মধ্যে একটি চুক্তি সাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির ফলে কোচবিহার ব্রিটিশদের একটি করদ রাজ্যে পরিণত হয়।
১৭৭৩ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সঙ্গে একটি চুক্তির মাধ্যমে রাজ্যটি "কোচ বিহার" নামে পরিচিত হয় এবং এর রাজধানীর নাম হয় "বিহার ফোর্ট"।
উল্লেখ্য, "কোচবিহার" শব্দটির অর্থ "কোচ জাতির বাসস্থান"। কোচবিহার গেজেট অনুযায়ী, মহারাজার আদেশ অনুযায়ী রাজ্যের সর্বশেষ নামকরণ হয় "কোচবিহার।
Author: Saikat Bhattacharya