১) যদি রাষ্ট্র পুরুষ পুলিশকে মহিলাদের সুরক্ষার জন্য নিয়োগ না করে একা একা মহিলারা নিজেদের কে অথবা শুধু নারী পুলিশ দিয়ে মহিলাদের সুরক্ষিত রাখা যাবে ? মাতৃভূমি ট্রেনে যখন আগুন লাগানো হয়েছিল, সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন তৃণমূলের পুরুষ কর্মীদের বলেছিল মাতৃভূমি ট্রেনে উঠে মহিলাদের সুরক্ষার দিতে?
২) বাঙালি হিন্দু সমাজ দুর্গা ও কালীর মত নারী দেবী পুজো করে পুরুষকে নারীর পায়ের তলায় রেখে। অন্যদিকে ইউপি, বিহার পুজো করে যোদ্ধা রামকে, গুজরাটিরা পুজো করে কূটনীতিগ্গ শ্রী কৃষ্ণ কে, তামিলরা পুজো করে দেব সেনাপতি মুরুগ্গান অথবা কার্তিক'কে! এবার আপনি বলুন বাঙালি হিন্দু সমাজ আজকে বেশি ক্ষমতাবান নাকি হিন্দি গুজরাটি ও তামিলরা বেশি ক্ষমতাবান ?
৩) মুখ্যমন্ত্রী নারী হয়েছে কিন্তু তৃণমূলকে জেতাতে সিপিএম এর আমলে কতজন পুরুষ তৃণমূল কর্মী মারা গেছে, আর কতজন নারী তৃণমূল কর্মী মারা গেছে সে হিসাব টা জানেন ? অথবা কখন করেছেন ? একটা কথা মাথায় রাখবেন আমরা ক্ষমতায় দেখি মোদিকে কিন্তু আসল ক্ষমতাটা আম্বানি আদানি দের হাতে। সেরকমই পশ্চিমবঙ্গে আমরা অপর থেকে মমতাকে দেখলেও আসল ক্ষমতা মাড়োয়ারি পুঁজির হাতে। আপনি দেখেছেন দুর্গার পায়ে মহিষাসুর থাকে কিন্তু দুর্গার মাথার উপর ছোট্ট একটা শিবের ফোটো থাকে। আসল ক্ষমতা ওই শিবের, দুর্গাকে দিয়ে মহিষাসুর কে মারে অর্থাৎ ক্ষমতাবান পুরুষ নারীকে দিয়ে সাধারণ পুরুষকে দমিয়ে রাখে! তাই নওশাদ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে এত প্রমাণ থাকার সত্ত্বেও সে বহাল তবিয়তে ঘুরে বেড়ায়। অন্যদিকে গরীব বাঙালি ছেলের বিরুদ্ধে ধর্ষনের অভিযোগে উঠলেই সব রে রে করে তেড়ে আসে। ভয় লাগে দুর্গাপুরের কেসটা তে আরো একটা ধনঞ্জয় চট্টোপাধ্যায় লুকিয়ে নেই তো?
Author: Saikat Bhattacharya