একসময় জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ হিসেবে ভেড়ার মাথার Roast দেওয়া হতো। অধিকাংশ মন্দিরের ও যজ্ঞের প্রসাদ হতো ভেড়া, মহিষ, ঘোড়া জাতীয় প্রাণীর মেধ মাংস সহকারে প্রস্তুত প্রসাদী। অথচ, আজকের দিনে হিন্দুত্ব মানে নিরামিষ খাওয়ার একটা কালচার আছেই। তবে, ষাঁড় ও গরু কখনোই হত্যা করা হতনা।
চরম আমিষবাদী বাঙালিদের বাড়িতেও সপ্তাহে ৩ দিন করে নিরামিষ হয়ই। সোম - বৃহস্পতি - শনি
এই নিরামিষ == হিন্দু ধর্মের উত্থানের পেছনে ৩ টি Factor আছে ~
১. ধর্মীয় Factor - বৌদ্ধ জৈন মতের প্রভাবে বৈদিক ধর্ম দুর্বল হয়। বৈদিক ধর্মের যোদ্ধাভাব ও বেদের মাংস আহারের সংস্কৃতি critically related
বৈদিক যুগের মানুষের খাদ্য আজকের দিনের Peak Carnivorous Diet কেও হার মানাবে। বৌদ্ধ জৈন প্রভাবিত অঞ্চলগুলোতে মাংস মাছ খাওয়া কমে যায়। স্বামী বিবেকানন্দ এই বিষয়টা খুব clearly বলেছেন।
২. Economic Reason - প্রশ্ন হল নিরামিষবাদী বৌদ্ধ জৈন মতকে শাসকশ্রেণী Patronize করেছিল কেন? রাষ্ট্র কোনোকিছুই করেনা, যা তার পুঁজিকে suffer করায়।
মনে রাখুন, মহাজনপদ এর বিকাশ যখন হচ্ছিল ভারতে, তখন Population Density খুব দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছিল। এই বিশাল জনসংখ্যার জন্য মাংস মাছের যোগান দেওয়া সেযুগের রাষ্ট্রের পক্ষে সম্ভব ছিলনা। তাই, সেযুগের রাষ্ট্রব্যবস্থা এই বৌদ্ধ জৈন সংগঠনগুলোকে দায়িত্ব দিয়েছিল লোকজনের মধ্যে নিরামিষবাদী সংস্কৃতির প্রচলন করতে।
কঠিন সত্য মানতে অসুবিধা হতে পারে অনেকের। কিন্তু, এটাই বাস্তব যে, ভারতের নিরামিষ খাওয়ার কালচার এবং Grain focused Diet আসলে আর্থিক দারিদ্র্যের ফলাফল।
৩. রাজনৈতিক প্রভাব - তুর্কি মুঘল আক্রমণের যুগে তুর্কি মুঘলরা গোহত্যা ইত্যাদি করতো হিন্দুদের ধর্মীয় বিশ্বাসে ইচ্ছাকৃত আঘাত দিতেই। সেটার একটা Counter হিসেবে হিন্দু সমাজে সমস্ত রকমের মাংস পরিত্যাগের একটা Tendency তৈরি হয়। এবং, মাংস জিনিসটা মুসলমানদের সাথে relate হওয়া শুরু হয়। বিশেষত, মুঘল সাম্রাজ্যের Heart land UP বিহারে হিন্দুদের মধ্যে তীব্র নিরামিষ আহার চালু হয়।
Author: Animesh