নওসাদ সিদ্দিকী একটা ইসলামবিরোধী চ্যানেলে গিয়ে বলেন যে,—“সমাজে যত ধরনের অনৈতিক অপকর্ম যারা করছে তাদের সিংহভাগ মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষজন।”
উনি এমনটা কেন বললেন জানিনা, কিসের ভিত্তিতে বললেন জানিনা, কিন্তু ওনার কথা কতটুকু সঠিক? আসুন ডেটা দেখা যাক।
জেনারেশন-জেড ( Gen-z ) এর পক্ষে থেকে “সাকিব হাসান পিয়াদা” প্রথমেই জানান সিংহভাগ কথার অর্থ কি, সিংহভাগ কথার অর্থ হলো প্রায় সবাই বা সকলেই। সংখ্যার বিচারে ৮০-৯০% বা তারও বেশি হওয়া চায়।
এবং “সাকিব হাসান পিয়াদা” আরো বলেন একটা বিষয় মাথায় রাখা উচিত যে বিচারাধীন কিংবা পুলিশ আটক করেছে কিংবা মামলা হয়েছে মানেই এই নয় যে সে অপরাধী বা কনভিক্টেড। কারণ আইনের দৃষ্টিতে একজন যতক্ষণ দোষী প্রমাণিত না হচ্ছেন ততক্ষণ সে নির্দোষ। শুরু করা যাক—
ভারতজুড়ে মোট জেলবন্দীর সংখ্যা ৫.২২ লক্ষের মতো, তার মধ্যে ৩.৮৪ লক্ষেরও বেশি হিন্দু, ৯৭.৬৫০ জন মুসলিম, ২২.১০০ জন শিখ। অর্থাৎ মুসলমানদের সংখ্যা ১ লক্ষও না।
২০২০ সালে সর্বমোট জেলবন্দীর মধ্যে মুসলিমদের হার ছিল ২০.২%, ২০২১ সালে সেটা ১৮.৭% তে নেমে আসে। এই ১৮.৭%-এর মধ্যে আবার আছে কনভিক্টেড অর্থাৎ যারা দোষী প্রমাণিত, Undertrial বা বিচারাধীন অর্থাৎ যারা দোষী নির্দোষ প্রমাণিত হননি, এরপর আছে detenues বা আটক অর্থাৎ যাদেরকে পুলিশ আটক করে রেখেছে অহেতুক সন্দেহবশত। এদিকে একই সময়ে হিন্দুদের হার ৭২.৮ থেকে ৭৩.৬ এ গিয়ে পৌঁছায়। একইসময়ে সবচেয়ে তীব্রভাবে শতাংশ বেড়েছে শিখদের ৩.৪ থেকে ৪.২-এ।
মোটকথা NCRB ডেটা ২০২১–২২ অনুযায়ী ভারতের মোট দোষী প্রমাণিতদের মধ্যে মুসলমানদের হার ১৫–১৬%, বিচারাধীন তথা Undertrials-এর মধ্যে হার ১৮–১৯%, আটক বা Detenues-এর মধ্যে হার ২৭–৩৫%
আরেকটা তথ্য বলছে দেশে কারাবন্দী দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে মুসলমানদের হার ২০২০ সালে ছিলো ১৭.৪% সেটা ২০২১ সালে কমে দাঁড়ায় ১৫.৯%-তে, বিচারাধীন বন্দীদের হার ছিলো ১৯.৫% সেটা কমে হয় ১৮% আর আটক বন্দীদের হার ছিলো ৩০.৭% সেটা নেমে দাঁড়ায় ২৭.৭%
আর একটা রিপোর্ট বলছে, মুসলমানদের মধ্যে দোষীদের তুলনায় বিচারাধীন বন্দীদের সংখ্যা বেশি।
এবার দেখি দলিত ও আদিবাসিদের হার, ভারতীয় কারাগারে দলিতদের ২১.৭ শতাংশেরও বেশি দোষী সাব্যস্ত, ২১ শতাংশ বিচারাধীন এবং ১৮.১৫ শতাংশ আটক। এদিকে ২০১৯ সালের শেষের দিকে ভারতীয় কারাগারে বন্দীদের মধ্যে দণ্ডিত আদিবাসিদের হার ছিলো ১৩.৬ শতাংশ। বিচারাধীন ১০.২%
IndiaSpend-এর ২০২২-এর একটা রিপোর্টে জানা যায় ২০২২ সালে ভারতের মোট বন্দীদের ৭৫.৮% হচ্ছেন Undertrials অর্থাৎ তারা দোষী প্রমাণিত নন, জাস্ট বন্দী।
তাদের মধ্যে হিন্দু ৬৫.২% আর মুসলিম ১৯.৩%
এবার আসি পশ্চিমবঙ্গে:
এনসিআরবি রিপোর্টে দেখা গেছে, দণ্ডপ্রাপ্তদের অর্থাৎ দোষীদের মধ্যে মুসলমানদের হার ৩৩% এবং বিচারাধীন বন্দীদের মধ্যে ৪৩.৫% ভাই এটা কীভাবে সিংহভাগ হয়?
Convicts অর্থাৎ, সাজাপ্রাপ্ত বন্দীদের মধ্যে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মুসলিম, ৩৩%
Undertrials তথা বিচারাধীন বন্দীদের মধ্যে মুসলিমের হার প্রায় ৪৩%
Detenues তথা Preventive detention বা বিশেষ আইন অনুযায়ী আটক বন্দীর মধ্যে মুসলিমের হার—প্রায় ৭৮.৫%
কেবল আটকের মধ্যে মুসলমানদের হার বেশি। আর আটক মানেই এই নয় যে সে দোষী অথবা ক্রিমিনাল বা কিছু করেছে। পুলিশ তো যে কাউকে আটক করতে পারে বিশেষ আইন অনুযায়ী।
কারাগারে মুসলিমদের অসামঞ্জস্যপূর্ণ উপস্থিতির জন্য আইনজীবীরা নিরাপত্তা বাহিনী এবং রাষ্ট্রযন্ত্রের পক্ষপাতদুষ্ট মনোভাবের উপর দোষ চাপিয়েছেন।
ইন্ডিয়ান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন পরিচালনাকারী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আনাস তানভীর মনে করেন যে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির সাথে এর অনেক সম্পর্ক রয়েছে। তা ছাড়াও, তানভীর বলেন যে দারিদ্র্য, পুলিশের পক্ষপাতিত্ব এবং রাষ্ট্রযন্ত্রের পক্ষপাতদুষ্টতা এর জন্য দায়ী কারণ। আইনজীবী এবং মিথ্যা সন্ত্রাস মামলার প্রাক্তন বন্দী আব্দুল ওয়াহিদ শেখও তাই মনে করেন
এবং “দামাল বাংলার” তরফ থেকে লেখক “মানিক ফকির” যাইহোক নওসাদের বক্তব্য নিজস্ব মনগড়া, এর সাথে সত্যতার দূর দূর পর্যন্ত কোন সম্পর্ক নেই। এবং শুধুমাত্র রাজনৈতিক ফায়দার জন্য এসব বক্তব্য রাখেন, এবং এগুলো হলো সংঘী বয়ান।
____
সুত্র:
১. Muslims 18.7% of prison population, down from 20.2% a year ago.NCRB,The Times of India.
২. Muslims 18.7% of prison population, down from 20.2% a year ago.NCRB,The Times of India
৩. NCRB data shows Muslims, Dalits, Tribal population in prisons disproportionate to their numbers outside
৪. Despite campaign, India saw number of prisoners increase in 2022, Scroll.
৫. India: Data show Muslims disproportionately in jail relative to their population.
৬. Muslims 18.7% of prison population, down from 20.2% a year ago.NCRB,The Times of India
৭. Muslims 18.7% of prison population, down from 20.2% a year ago.NCRB,The Times of India
৮. India: Data show Muslims disproportionately in jail relative to their population.
Read MoreAuthor: Sakib Hasan Piyada
Religion Hindu 25-August-2025 by east is risingআমেরিকার বাইবেল বেল্ট (Bible Belt) অঞ্চল, যা প্রধানত দক্ষিণ ও মধ্য-পশ্চিমাঞ্চলের রক্ষণশীল খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের জন্য পরিচিত, সেখানে অল্প বয়সে মেয়েদের বিয়ে দেওয়ার প্রথা বিভিন্ন সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় এবং সামাজিক কারণের ওপর নির্ভর করে। এই অঞ্চলে ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং ঐতিহ্যবাহী পারিবারিক কাঠামোর প্রভাব বেশি, যা এই প্রথাকে প্রভাবিত করে।
১) ধর্মীয় বিশ্বাস ও ঐতিহ্য ________________
বাইবেল বেল্টে অনেক পরিবার কট্টর খ্রিস্টান বিশ্বাস পালন করে, বিশেষ করে ইভানজেলিকাল বা ফান্ডামেন্টালিস্ট সম্প্রদায়। এই সম্প্রদায়গুলোতে বিয়েকে পবিত্র এবং পারিবারিক জীবনের মূল ভিত্তি হিসেবে দেখা হয়। বাইবেলের কিছু ব্যাখ্যা অনুসারে, নারীদের জন্য প্রাথমিক ভূমিকা হিসেবে বিবেচনা করা হয় মা ও স্ত্রী হওয়া। এই বিশ্বাসের কারণে অল্প বয়সে বিয়ে দেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়।
২) সামাজিক ও পারিবারিক চাপ_________________
এই অঞ্চলের সমাজে প্রায়ই ঐতিহ্যবাহী লিঙ্গভিত্তিক ভূমিকার ওপর জোর দেওয়া হয়। মেয়েদের প্রায়ই শৈশব থেকেই বিয়ে ও মাতৃত্বের জন্য প্রস্তুত করা হয়। পরিবার ও সম্প্রদায়ের প্রত্যাশা থাকে যে মেয়েরা তাড়াতাড়ি বিয়ে করে সংসার শুরু করবে।
কিছু ক্ষেত্রে, অল্প বয়সে বিয়ে দেওয়া হয় যাতে মেয়েরা উচ্চশিক্ষা বা ক্যারিয়ারের দিকে বেশি মনোযোগ না দেয়, যা কিছু রক্ষণশীল সম্প্রদায়ে "ঐতিহ্যের বিরুদ্ধে" বলে বিবেচিত হতে পারে।
৩) অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কারণ________________
বাইবেল বেল্টের অনেক শহর ও গ্রামীণ এলাকায় অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা থাকে। পরিবারগুলো মনে করতে পারে যে মেয়েদের তাড়াতাড়ি বিয়ে দেওয়া তাদের অর্থনৈতিক বোঝা কমায়, বিশেষ করে যদি পরিবারের আর্থিক অবস্থা দুর্বল হয়।
এই অঞ্চলের সংস্কৃতিতে বিয়ে একটি সামাজিক মর্যাদার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। অল্প বয়সে বিয়ে করা মেয়েরা সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্মানিত হয় এবং পরিবারের জন্যও এটি গর্বের বিষয় হতে পারে।
৪) শিক্ষার অভাব বা ভিন্ন অগ্রাধিকার_______________
বাইবেল বেল্টের কিছু এলাকায় মেয়েদের উচ্চশিক্ষা বা স্বাধীন ক্যারিয়ার গড়ার চেয়ে পারিবারিক জীবনকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। ফলে, অনেক মেয়ে কিশোর বয়সে বা বিশের শুরুতে বিয়ে করে ফেলে, কারণ তাদের জন্য অন্য কোনো পথকে ততটা উৎসাহিত করা হয় না।
৫) আইনি ও সামাজিক কাঠামো_______________
যুক্তরাষ্ট্রের কিছু রাজ্যে, বিশেষ করে বাইবেল বেল্টে, অল্প বয়সে বিয়ের জন্য আইনি বয়সসীমা তুলনামূলক নমনীয়। পিতামাতার সম্মতি থাকলে ১৬ বা ১৭ বছর বয়সেও বিয়ে সম্ভব। এই আইনি সুযোগ অল্প বয়সে বিয়েকে সহজ করে।
বাইবেল বেল্টের প্রধান অঞ্চল ---- বাইবেল বেল্টে সাধারণত নিম্নলিখিত রাজ্যগুলো অন্তর্ভুক্ত, যেখানে অল্প বয়সে বিয়ের প্রচলন কিছু সম্প্রদায়ে দেখা যায়_______
১) টেক্সাস : এখানে পিতামাতার সম্মতিতে ১৬ বছর বয়সে বিয়ে সম্ভব। ২) আলাবামা: এখানকার আইন ১৬ বছর বয়সে পিতামাতার সম্মতিতে বিয়ের অনুমতি দেয়। ৩) মিসিসিপি : মেয়েদের ১৬-১৮ বছর বয়সে বিয়ে দেওয়ার প্রচলন আছে। আইনি বয়সসীমা এখানেও নমনীয়। ৪) আর্কানসাস: এখানে পিতামাতার সম্মতিতে ১৬ বছর বয়সে বিয়ে সম্ভব। ৫) টেনেসি। : টেনেসির আইন ১৭ বছর বয়সে পিতামাতার সম্মতিতে বিয়ের অনুমতি দেয়। ৬) ওকলাহোমা : এখানে ১৬ বছর বয়সে বিয়ে সম্ভব। ৭) কেনটাকি : আইনি বয়সসীমা এখানেও ১৬ বছর। ৮) জর্জিয়া : এখানে ১৬ বছর বয়সে পিতামাতার সম্মতিতে বিয়ে সম্ভব। ৯) লুইজিয়ানা : এখানে আইনি বয়সসীমা ১৬ বছর। ১০) মিসৌরি এবং কানসাস : আইনি বয়সসীমা ১৬ বছর।
ধর্মীয় সম্প্রদায়______________
সাউদার্ন ব্যাপটিস্ট: এই সম্প্রদায় বাইবেল বেল্টে প্রভাবশালী। এরা ঐতিহ্যবাহী পারিবারিক মূল্যবোধের ওপর জোর দেয়, যার মধ্যে অল্প বয়সে বিয়ে অন্তর্ভুক্ত।
তথ্য ও পরিসংখ্যান___________
ইউএসএনএইচআই (Unchained At Last) এর মতে, ২০০০ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ২০০,০০০ নাবালকের (বেশিরভাগ মেয়ে) বিয়ে হয়েছে, যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বাইবেল বেল্টের রাজ্যগুলো।
আলাবামা, মিসিসিপি, এবং আর্কানসাসে ১৮ বছরের নীচে বিয়ের হার জাতীয় গড়ের তুলনায় বেশি।
Read MoreAuthor: Sakib Hasan Piyada
Religion General Unipolar vs Multi-polar 11-June-2025 by east is risingকিছু পুরুষ সফলতার স্বপ্ন দেখে। কিছু পুরুষ সফলতার জন্য পরিশ্রম করে। আবার কিছু পুরুষ শুরু হওয়ার আগেই তাদের সফলতা ধ্বংস করে ফেলে।
আপনি জানেন কি?
অনেক পুরুষের সবচেয়ে বড় বিভ্রান্তি হলো সেক্স।
যে পুরুষ ভোগের পেছনে ছুটে, সে কখনোই লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে না। আর যে পুরুষ নিজের ইচ্ছেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, সে-ই সবার চেয়ে এগিয়ে থাকে। কেননা সফলতার জন্য দরকার কঠোর নিয়মানুবর্তিতা। আর যৌন আসক্তি সেই নিয়মানুবর্তিতাকে ধ্বংস করে দেয়।
তাই আপনি যদি নিজের কামনাকে নিয়ন্ত্রণ না করতে পারেন,
তাহলে ভবিষ্যতও আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না।
কঠিন সত্যঃ
১) ক্ষমতাবান পুরুষ যৌন-বিভ্রান্তি এড়িয়ে চলে, দুর্বল পুরুষ না বলতে পারে না।
ইতিহাসের সব মহান পুরুষদের একটা বিষয় মিল: তারা ছিল কঠোর নিয়মানুবর্তিতায় অভ্যস্ত।
আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট ৩০ বছরের মধ্যেই পৃথিবী জয় করেছিলেন—তিনি মেয়েদের পেছনে সময় নষ্ট করেননি।
এলন মাস্ক সপ্তাহে ১০০ ঘণ্টা কাজ করেন—তিনি মেয়েদের সাথে চ্যাট করে সময় নষ্ট করেন না।
মোহাম্মদ আলী লড়াইয়ের আগে যৌনতা থেকে বিরত থাকতেন—কারণ তিনি জানতেন নিয়ন্ত্রণ মানেই শক্তি।
কিন্তু আজকের অনেক পুরুষ কী করছে?
প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা পর্ন ও মাস্টারবেশনে নষ্ট করছে।
মেয়েদেরকে ইমপ্রেস করতে শেষ টাকা পর্যন্ত খরচ করছে।
একটা মেয়ের জন্য কাঁদছে, ভবিষ্যত গড়ার চেয়ে।
অথচ কোনো মহান পুরুষ কখনোই তার কামনার দাস ছিল না।
২) যৌনতা আপনার শক্তি, মনোযোগ, ও উদ্যম কেড়ে নেয়।
প্রতিবার আপনি “রিলিজ” করলে, আপনি কেবল কয়েক সেকেন্ডের আনন্দ হারান না— আপনি হারান:
টেস্টোস্টেরন (যা আপনাকে শক্তি ও সাফল্য দেয়)
উদ্যম (জয় পাওয়ার ক্ষুধা)
মানসিক স্থিরতা (মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতা)
তাইতো অনেক পুরুষ যৌনতার পর ক্লান্ত ও অলস অনুভব করে।
ভাবুন, আপনি যদি প্রতিদিন এভাবে নিজেকে দুর্বল করে ফেলেন— তাহলে আপনি কীভাবে শক্তিশালী হবেন?
৩) মেয়েদের পেছনে প্রতিটি মিনিট মানে নিজের ভবিষ্যৎ থেকে দূরে যাওয়া। প্রতিদিন আপনি কত সময়:
মেয়েদের ছবি স্ক্রল করে কাটান?
ফ্লার্ট ও চ্যাটিংয়ে ব্যয় করেন?
পর্ন দেখে বা মাস্টারবেট করে নিজের শক্তি নষ্ট করেন?
ভাবুন, এই সময়গুলো যদি আপনি ব্যয় করতেন:
উচ্চ আয়ের দক্ষতা শেখায়, নিজের ব্যবসা বা ক্যারিয়ারে, শরীর গঠনে— তাহলে আপনাকে কারো পেছনে ছুটতে হতো না, তারা নিজেরাই আপনার দিকে ছুটে আসত।
৪) ইতিহাস বলে, যৌন দুর্বলতাই অনেক মহান পুরুষকে ধ্বংস করেছে।
ভেবে দেখুন, ইতিহাসের অনেক শক্তিশালী পুরুষ কীভাবে ধ্বংস হয়েছে? না যুদ্ধ, না দারিদ্র্য— বরং যৌন দুর্বলতায়।
শিমশোন (Samson) তার শক্তি হারিয়েছিল ডেলিলার কারণে।
সলোমন ছিলেন জ্ঞানী, কিন্তু নারীদের কারণে ধ্বংস হয়েছিলেন।
টাইগার উডস হারিয়েছেন কোটি কোটি টাকার স্পনসরশিপ যৌন স্ক্যান্ডালের জন্য।
বিল ক্লিনটনের ক্যারিয়ার পড়ে গিয়েছিল বিপদের মুখে।
অর্থাৎ একজন অসংযত পুরুষ মানে একটি নিশ্চিত বিপর্যয়ের অপেক্ষা।
৫) নারীরা কখনোই এমন পুরুষকে সম্মান করে না যে নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে না।
আপনি কি ভাবেন, কোনো নারী তার পেছনে ছুটে বেড়ানো একজন পুরুষকে সম্মান করে? না। নারীরা সম্মান করে সেই পুরুষকে যার আছে: লক্ষ্য, আত্মসংযম, বড় কোনো মিশন জীবনে।
যখন আপনি আপনার উদ্দেশ্যে মনোযোগ দিবেন, নারীরাই আপনাকে খুঁজবে।
৬) পর্ন, মাস্টারবেশন ও আকস্মিক যৌনতা পুরুষদের দুর্বল করে দিচ্ছে। আধুনিক পুরুষ: দুর্বল, অলস, অর্থনৈতিকভাবে দুর্দশাগ্রস্ত— এবং এর মূল কারণ হলো সস্তা আনন্দে আসক্তি।
পর্ন ধ্বংস করে আপনার মস্তিষ্ক।
মাস্টারবেশন খেয়ে ফেলে আপনার উদ্যম।
ক্যাজুয়াল সেক্স নষ্ট করে আপনার নিয়মানুবর্তিতা।
ফলাফল?
পুরুষেরা আজ: অনুপ্রাণিত না, আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত, হতাশাগ্রস্ত ও দিকহীন।
৭) যে পুরুষ নিজের প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না, সে ভবিষ্যৎও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না।
আপনি হয়ত বলছেন আপনি ধনী, ক্ষমতাবান ও সফল হতে চান। কিন্তু আপনি কি পারেন:
এক সপ্তাহও সেক্স বা পর্ন ছাড়া থাকতে?
কাজের মাঝে নারীর চিন্তা বাদ দিতে?
প্রতিটি নারী দেখে তার পেছনে না ছুটতে?
যদি নিজের শরীরকেই আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারেন,
তাহলে এই পৃথিবী আপনি কীভাবে জয় করবেন?
৮) সফল পুরুষ সেক্সকে নিয়ন্ত্রণ করে, ব্যর্থ পুরুষ সেক্সের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
সেক্স একটি মাধ্যম। দুর্বলরা এটা ব্যবহার করে শুধুই আনন্দের জন্য। শক্তিশালীরা ব্যবহার করে এটা নিয়ন্ত্রণের জন্য।
সফল পুরুষ জানে কবে, কীভাবে এই চাহিদা নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। ব্যর্থ পুরুষ নিজের কামনার গোলাম হয়ে থাকে।
অথচ এই পৃথিবী শাসন করে সেসব পুরুষ, যারা ভোগ নয় বরং নিয়ন্ত্রণকে বেছে নেয়।
৯) নারী আসবে যাবে, কিন্তু সফলতা চিরস্থায়ী।
আজকে আপনি হয়ত ১০০ জন নারীর সাথে আছেন, কালকে তারা একসাথে চলে যেতে পারে। কিন্তু যদি আপনার থাকে: অর্থ, ক্ষমতা, অবস্থান— তাহলে শত শত নারী নিজে থেকেই আসবে।
তাই সফল পুরুষদের নারীর অভাব হয় না, আর দুর্বল পুরুষদের জীবন কাটে পিছনে ছুটে।
১০) প্রথমে নিয়মানুবর্তিতা, পরে আনন্দ।
সেক্স নিজে খারাপ কিছু নয়। কিন্তু যদি আপনি আনন্দকে উদ্দেশ্যের আগে রাখেন, তাহলে আপনি সবসময় সংগ্রামে থাকবেন। যদি আপনি আত্মসংযম রপ্ত করেন, তাহলে আপনি সবার চেয়ে এগিয়ে থাকবেন।
শেষ কথা:
যদি আপনি ধনী, শক্তিশালী ও সফল হতে চান ? তাহলে প্রথম শিখুন নিজের ভোগের ইচ্ছাকে নিয়ন্ত্রণ করতে।
কারণ শেষ পর্যন্ত…
যে পুরুষ নিজের কামনাকে জয় করে, সে-ই নিজের ভবিষ্যৎ জয় করে। আর যে পুরুষ ভোগের পেছনে ছুটে, সে একদিন সবকিছু হারায়।
|| রিয়েলিটি এন্টারটেনমেন্ট ||
Read MoreAuthor: Sakib Hasan Piyada
Theoretical Sex War feminism 19-May-2025 by east is risingভারতের রক্ষীবাহিনী পৃথিবীর ভয়ংকর খুনে ও ধর্ষক রক্ষীবাহিনী ধর্ষণের অপরাধে এই বাহিনী বহু বার অভিযুক্ত হয়েছে। ধর্ষক এই রক্ষীবাহিনী কি করে জাতিসংঘ শান্তি মিশনে কাজ করে তাহা আমার বোধগম্য নয়। নিম্নে এই রক্ষীবাহিনী কিছু পৈশাচিক কর্মের বিবরণ দেয়া হল :----
১) জুনাগড় ( প্রিন্সলী স্টেট ) :- জুনাগড় মুসলীম শাসক দ্বারা শাসিত ছিল। জুনাগড়ের শেষ শাসক ছিল তৃতীয় মোহাম্মদ। তিনি প্রথমে স্বাধীন ভাবে রাজ্য পরিচালনা করলেও পরে তিনি পাকিস্তানের সাথে একীভূত হতে চান। এটা চরমতম মুসলীম বিদ্বেষী নেহরুকে ক্ষুদ্ধ করে তোলে। জুনাগড়ে বসবাসরত বাভারী এলাকার অমুসলিম দের উসকে দিয়ে বিদ্রোহ করায়। জুনাগড় রক্ষীবাহিনী সেই বিদ্রোহ দমন করে। মুসলীম বিদ্বেষী নেহেরু হিন্দু রক্ষার অজুহাত তুলে ব্রিটিশদের সাহায্যে ১৯৪৭ সেপ্টেম্বর মাসে জুনাগড় দখল করে নেয়। এরপরই শুরু হয় ভারতীয় রক্ষীবাহিনী ও স্থানীয় অমুসলিমদের বর্বরতম গণহত্যা ও ধর্ষণের উৎসব। মাত্র ৮ দিনে ভারতীয় অমুসলিমরা ৩ লাখ মুসলীমকে নৃশংস ভাবে হ★ত্যা করে এবং ১ লক্ষের উপরে মুসলীম নারীদের ধর্ষ*ণ করে। প্রায় ২ লাখ নারীকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। যাদের কোনও খোঁজ খবর কেউ আর কোনও দিন পায় নাই। ইতিহাসে এটা জুনাগড় ম্যাসাকার নামে পরিচিত।
২) কাশ্মীর :- ভারত ১৯৪৭ সালে ভারতের ব্রিটিশ অস্রে সজ্জিত হয়ে অতর্কিতে কাশ্মির দখল করে নিয়েছিল। আচমকা আক্রমণে কাশ্মীরিরা হতভম্ব হয়ে পড়েছিল। কিন্তু উপজাতি পাঠানরা তাদের তলোয়ার আর গাদা বন্দুক দিয়ে ভারতীয় অমুসলিমদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলে। উপজাতি পাঠানদের পাল্টা আক্রমণে ভারতীয় রক্ষীবাহিনী পিছু হটতে থাকে এবং কাশ্মীরের প্রায় ৪০% এলাকা ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। কাশ্মীরে স্থিতি হয়ে ভারতের অমুসলিমরা সেইখানকার স্থানীয় অনেক কাশ্মীরি নারীকে ধর্ষ*ণ ও হত্যার মাধ্যমে তাদের বিজয় উদযাপন করেছিল।
৩) হায়দ্রাবাদ ( প্রিন্সলী ষ্টেট) :- ৮২৬৯৮ বর্গমাইল আয়তনের স্বাধীন দেশ ছিল হায়দারাবাদ। জাতিসংঘে তার সদস্যপদও ছিল। এটা আয়তনে বাংলাদেশের প্রায় দ্বিগুন ছিল। ভারতের অমুসলিম হিন্দুত্ববাদী ট্রাম্প কার্ড খেলে হায়দারাবাদ দখল করেছিল ১৯৪৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। ভারতের অমসুলিমদের সাহায্য করেছিল হায়দ্রাবাদের রক্ষীবাহিনী। এই যুদ্ধটা বল্লভ ভাই প্যাটেল এর তত্ত্বাবধানে হয়েছিল। ইতিহাসে এই ব্যাক্তিকে হায়দ্রাবাদের কসাই বলা হয়ে থাকে। হায়দ্রাবাদ দখল করে মাত্র ৭ দিনে ভারতীয় অমুসলিম সন্ত্রাসীরা ৪ লাখ মানুষকে নৃশংস ভাবে হত্যা করেছিল। ধর্ষ*ণ করেছিল ২ লাখ মুসলীম নারীকে। যাদের বেশীর ভাগের লাশ কিংবা কোনও খোঁজ খবর তাদের পরিবার কখনও জানতে পারে নাই।
৪) কুনান-পুশপারা ধর্ষণ কান্ড :- পৃথিবীর ইতিহাসে মাত্র ১ রাতে পুরো গ্রামের নারীদের কখনও ধর্ষণ করা হয় নাই। ভারতের রক্ষীবাহিনী সেই বিরল কৃতিত্বের অধিকারী একটি রাষ্ট্র। ১৯৯১ সালের ২৩ শে ফেব্রুয়ারী এই ঘৃণ্যতম ঘটনাটি ঘটিয়েছিল ভারতের অমুসলিমরা। অমুসলিমরা এই গ্রামের পুরুষদের আগের দিন মাইকে ঘোষণা দিয়ে সবাইকে নিকটস্থ থানাতে বাধ্যগত ভাবে হাজির হতে নির্দেশ দেয়। পরদিন গ্রামের প্রায় ৭০০ পুরুষ থানাতে হাজিরা দিতে গেলে তাদের সবােইকে বন্দী করা হয়। সেই রাতে প্রায় ১ রেজিমেন্ট অমুসলিমরা হায়েনার মত গ্রামের নারীদের ইজ্জতের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। ধর্ষণের উল্লাসে কাশ্মীরের পাহাড় কেঁপে উঠেছিল। গ্রামের সব গুলো ঘরেই এই নারকীয় ধর্ষ*ণ উৎসব হয়েছিল। মা আর মেয়েকে একই সাথেও ধর্ষণ করা হয়েছিল। কিন্তু বাধা দেয়ার মত কোনও পুরুষ ছিল না তখন। ৮/৯ বছরের মেয়ে শিশুদেরও রেহাই দেয় নাই হিন্দুর বাচ্চারা। প্রায় ৪০০ নারী ও শিশু অমুসলিমদের লালসার শিকার হয়েছিল। ইতিহাসে এই নারকীয় কান্ডকে কুনান-পুশপারা ধর্ষণ কান্ড নামে পরিচিত। রানা আইয়ুব নামক একজন মহিলা সাংবাদিক এই নারকীয় বিভৎসতাকে প্রথম বিশ্ববাসীর সামনে আনেন। কিন্তু ভারতীয় অমুসলিমদের আক্রোশে তাকে দেশ ছাড়তে হয়।
৫) ইমফল কান্ড :- ১৫ই জুলাই ২০০৪ সাল। ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় মনিপুরের ইমফল নামক একটি শহরের খ্রিস্টান উপজাতি নারী মনোরোমার উপর নারকীয় পৈশাচিকতা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে ভারতীয় রক্ষীবাহিনী। প্রায় ১৮ জন সৈনিক ধর্ষ*ণ করে মনোরোমাকে। মনোরমাকে ধর্ষণ শেষে ওর যৌণাঙ্গে পৈশাচিক ভাবে ১৬ বার গুলি করে হত্যা করেছিল ভারতীয় অমুসলিমরা। এরপর তার লাশকে ফেলে রাখে প্রকাশ্যে রাস্তায়। মনোরোমার বিভৎস লাশ দেখে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে উপজাতীয় খ্রিস্টান নারীরা। তারা বিএসএফ ও ভারতীয় সেনাবাহিনী ছাউনী ঘেরাও করে ফেলে। উলংগ হয়ে প্রতিবাদ জানায় বিশ্ব মিডিয়ার সামনে। স্তম্ভিত হয়ে বিশ্বের সর্বস্তরের মানুষ যাহা প্রত্যক্ষ করে।
৬) মণিপুরের খ্রিস্টান কুকি নারী :- ২০২৪ সালে ভারতের অমুসলিমরা তাদের রক্ষীবাহিনীর প্রত্যক্ষ সহায়তায় প্রকাশ্যে ২ জন খ্রিস্টান কুকি নারীকে উলঙ্গ করে ইমফল শহরে বেইজ্জতি করে। পরে এই নারীদের গণ ধর্ষ*ণ করেছিল ভারতের বিজেপির দল। ভিডিওটি অনলাইনে প্রকাশ হয়ে গেলে পুরো বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করে।
Read MoreAuthor: Sakib Hasan Piyada
Social Hindu 18-May-2025 by east is risingমেথর পোস্টে ৫০% নারী চাই!
ইলেক্ট্রিশিয়ান পজিশনে ৫০% নারী চাই!
ওয়েল্ডিং পজিশনে ৫০% নারী চাই!
কারপেন্টার পজিশনে ৫০% নারী চাই!
ট্রান্সপোর্টেশন সেক্টরে ৫০% নারী চাই!
প্লাম্বার পজিশনে ৫০% নারী চাই!
কৃষি কাজে ৫০% নারী চাই!
সকল মেকানিকাল সেক্টরে ৫০% নারী চাই!
সকল মেনুফ্যাকচারিং সেক্টরে ৫০% নারী চাই!
ভবন নির্মাণ, রাস্তা নির্মাণ সহ আবাসিক, অনাবাসিক, বাণিজ্যিক ও সামরিক—মোটকথা সকল কন্সট্রাকশন সাইটে ৫০% নারী চাই!
ঠেলাগাড়ি চালক, রিকশা চালক, দিনমজুর সহ ছোট বড় সকল ফিজিক্যাল জব সেক্টরে ৫০% নারী চাই!
সেনাবাহিনীর ৫০% নারী চাই!
সীমান্ত রক্ষীর ৫০% নারী চাই!
যুদ্ধ বাধলে অগ্রগামী বাহিনীর ৫০% নারী চাই এবং লড়াইরত পদাতিক বাহিনীতে নারীদের অগ্রাধিকার চাই!
এই সব দাবি যদি নারীবাদীরা নিজেদের এজেন্ডায় অন্তর্ভুক্ত করে, তাহলে তাদেরকে নিজ দাবিতে সৎ বলা যায়।
Read MoreAuthor: Sakib Hasan Piyada
Social Sex War feminism 15-May-2025 by east is risingএটা নরেন্দ্র মোদীর ভারত, যেখানে বিদেশী সন্ত্রাসীদের করা সন্ত্রাসের জবাব সন্ত্রাস দিয়ে দেওয়া হয় দেশের মুসলিমদের বিরুদ্ধে।
পহেলগাম হামলার পর, মাত্র ১৫ দিনে মুসলিমদের লক্ষ্য করে ১৮৪ 'টি ঘৃণ্য অপরাধের খবর পাওয়া গেছে, যার ফলে ভারতজুড়ে ৩১৬ জন ভুক্তভোগী আক্রান্ত হয়েছেন (APCR রিপোর্ট)।
আইন ও ঐক্য বজায় রাখার পরিবর্তে, মোদীর শাসন জনতাকে নির্দোষ মুসলিম নাগরিকদের মারধর, হুমকি এবং হত্যা করতে সক্ষম করেছে - কেবল তাদের বিশ্বাসের কারণে।
Author: Sakib Hasan Piyada
Social Hindu 14-May-2025 by east is risingস্বামীর যৌন সক্ষমতার পরীক্ষা স্বামীকে দিতে হবে। - নাহলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ সত্যি!! আদালত বলছে: স্ত্রীর ভার্জিনিটি টেস্ট করানো সংবিধানের একটা ধারার পরিপন্থী!!
স্ত্রীর অভিযোগ:
আমার স্বামী সহবাসে অক্ষম। আমার সঙ্গে যৌনতা করছেনা!
স্বামীর অভিযোগ: স্ত্রী অন্য পুরুষের সঙ্গে পরকীয়া করছে।
স্বামী বলছে: আমি সহবাসে অক্ষম না।
আদালত বলছে : তুমি যে সহবাসে অক্ষম না সেটা মেডিক্যাল টেস্ট করে প্রমাণ দাও!!!
অর্থাৎ
১)
স্বামীর যৌন সক্ষমতার পরীক্ষা স্বামীকে দিতে হবে। - নাহলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ সত্যি!!
এদিকে স্বামীর অভিযোগ স্ত্রী অন্য পুরুষের সঙ্গে সঙ্গম করছে!
স্ত্রী বলছে: এই অভিযোগ মিথ্যে....
স্বামী তখন বলছে: আমার স্ত্রী তো বলছে যে আমি যৌনতায় সক্ষম না, তাহলে আমি যদি যৌনতায় সক্ষম না হই তাহলে আমার স্ত্রী পরকীয়া না করলে স্ত্রীর পক্ষে ভার্জিনিটি হারানো সম্ভব নয়।
আমার স্ত্রীর ভার্জিনিটি টেস্ট হোক..... প্রমাণ হয়ে যাবে সে সেক্সুয়ালি অ্যাক্টিভ কিনা!!
আদালত বলছে: স্ত্রীর ভার্জিনিটি টেস্ট করানো সংবিধানের একটা ধারার পরিপন্থী!!
অর্থাৎ,
পুরুষের রাইট টু প্রাইভেসি বলে কিছু নেই!!
তাকে তার যৌন সক্ষমতার পরীক্ষা দিয়ে প্রমাণ করতে হবে যে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ভিত্তিহীন!!
নাহলে মেনে নিতে হবে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ সত্যি!
মহিলার রাইট টু প্রাইভেসি আছে!! তাকে কোনো পরীক্ষা দিয়ে প্রমাণ করতে হবে না যে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ সত্যি না মিথ্যে। আদালত কোনো পরীক্ষা না করেই মেনে নেবে যে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ মিথ্যা।
* স্বামী যৌনতার ক্ষেত্রে অক্ষম হলে ডিভোর্স হবে। খোরপোষ দেবে সে।
* স্ত্রীর সন্তানের জন্ম দেওয়ার ক্ষমতা না থাকলে আদালত ডিভোর্স দিতে দেবে না। বলবে অমানবিকতা। স্বামী ইমপোটেন্ট হলে ডিভোর্স!
* স্ত্রী পরকীয়া করলে সেটা তার স্বেচ্ছাধীন। প্রমাণ করতে দেওয়া হবে না!
কাজেই পরকীয়ার গ্রাউন্ডে খোরপোষ বন্ধ করা যাবে না!
* স্বামী পরকীয়া করলে তার জেল হবে। ডিভোর্স হবে। খোরপোষ দিতে হবে। স্বামী পরকীয়া করলে পরকীয়া প্রেমিকাকে সে কোনোরকমভাবেই ফাঁসাতে পারবেনা।
* স্ত্রী পরকীয়া করলে বলবে:
' বেশ করেছি। ' - বলে ডিভোর্স দিয়ে একদিনও জেল না খেটে একপয়সাও ক্ষতিপূরণ না দিয়ে ফুড়ুৎ!
* নয়তো স্ত্রী পরকীয়া করলে পরিস্থিতি অন্যরকম দেখলে পরকীয়া প্রেমিকের নামে ধর্ষণের মামলা দিয়ে দেবে। স্বামী পরকীয়ার গ্রাউন্ডে খোরপোষ ছাড়া ডিভোর্স দিতে পারবেনা।
* স্বামী পরকীয়া করলে ফেঁসে গিয়ে পরকীয়া প্রেমিকার নামে এরকম কোনো মামলা দিতে পারবে না।
* স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিকের মোবাইল টাওয়ার লোকেশন দেখিয়ে পরকীয়া প্রমাণ করতে দেয়নি কর্ণাটক হাইকোর্ট।
* স্ত্রীর পরকীয়ায় ফলে জন্মানো সন্তানের DNA টেস্ট করতে দিতে চাওয়া হয়না! একাধিক হাইকোর্টের রায় আছে।
Read More
Author: Sakib Hasan Piyada
Social Sex War feminism 03-April-2025 by east is rising
