১৯ লক্ষ নয়! এনআরসির পর ‘বিদেশি’ মাত্র ৩২ হাজার

অসম বিধানসভাতেই হিমন্ত সরকারের চাঞ্চল্যকর পরিসংখ্যান ঘোষণা

কোটি কোটি টাকা খরচ, বছরের পর বছর আতঙ্ক—তবুও ‘বিদেশি’ শনাক্ত মাত্র ১.৬%

অসমে এনআরসি মানেই আতঙ্কের নাম। ২০১৯ সালে এনআরসির খসড়ায় ১৯,০৬,৬৫৭ জনকে “বাংলাদেশি বিদেশি” বলে বাদ দেওয়া হয়েছিল।

লক্ষ লক্ষ মানুষ রাতারাতি নাগরিকত্ব সংকটে পড়েছিলেন।

কিন্তু ছ’ বছর তদন্ত–শুনানি, ১,৫২৮ কোটি টাকা ব্যয় এবং হাজারো ট্রাইবুনাল গঠনের পর—

অসম বিধানসভায় সরকারী রিপোর্ট জানাচ্ছে:

১। বিদেশি শনাক্ত—মাত্র ৩২,২০৭ জন

২। পুশব্যাক—মাত্র ১,৪১৬ জন!

এই তথ্য দিয়েছেন অসম চুক্তি বাস্তবায়নমন্ত্রী অতুল বোরা—কংগ্রেস বিধায়ক আবদুর রহিম আহমেদের প্রশ্নের উত্তরে।

কোন বছরে কতজন শনাক্ত?

হিমন্ত বিশ্বশর্মা মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর (২১–২৫)

২০২১: ৬,৩০৪

২০২২: ৮,৭৯০

২০২৩: ৬,৭০৩

২০২৪: ৬,১২০

২০২৫: ৪,২৯০

মোট: ৩২,২০৭

তাহলে ১৯ লক্ষ কোথায় গেল?

বিরোধীদের প্রশ্ন—

১। যাঁদের এনআরসিতে বাদ দেওয়া হয়েছিল, তাঁরা যদি বিদেশি না হন, তাহলে তাঁদের নাম কেন উঠল না?

২। এত বিশাল প্রশাসনিক অপচয়ের দায় নেবে কে?

৩। এনআরসিতে আর্থিক অস্বচ্ছতা

CA G (২০২২)-এর রিপোর্টেই বলা হয়েছিল:

১। এনআরসিতে বড় ফাঁকফোকর এবং অস্বচ্ছ ব্যয়

২। শুধুই ডিটেনশন ক্যাম্পে খরচ—৪৬ কোটি

৩। হাজার খানেক Foreigners Tribunal—বিপুল ব্যয়, অর্ধেক কাজহীন

হিমন্ত সরকারের দেওয়া সর্বশেষ সংখ্যাগুলি সেই বিতর্ক আরও বাড়িয়েছে।

বিজেপির সাংসদও স্বীকারে বাধ্য

দারাং–উদালগুড়ির বিজেপি সাংসদ দিলীপ সইকিয়া বলেন—

“সরকারি সংখ্যা প্রামাণ্য। প্রতিদিনই পুশব্যাক হচ্ছে।”

কিন্তু সংখ্যা কত—তার জবাব তিনি দিতে পারেননি।

কংগ্রেসের অভিযোগ—

১।  ১,৪১৬ জন পুশব্যাক হলে এত বড় ঘটনায় কেন কোনও সরকারি প্রচার নেই?

২। বরং ধুবরির মনকাছাড় সীমান্তে খাইরুল ইসলামকে পুশব্যাক করে আবার ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে—এই ঘটনা তো প্রকাশ্যে।

৩। সীমান্তে ফেন্সিং এখনো অসম্পূর্ণ

মন্ত্রী বোরা জানিয়েছেন—

ভারত–বাংলাদেশ সীমান্ত (অসম অংশ): ২৬৭.৫ কিমি

সম্পূর্ণ হয়েছে: ২২৮.৫৪ কিমি

বাকি: ৪.৩৫ কিমি (বিজিবি আপত্তির কারণে)

তাহলে প্রশ্ন—

১। এখনো কি অনুপ্রবেশ হচ্ছে?

২। ডাবল ইঞ্জিন সরকার কি দায় এড়াতে পারে?

উপসংহার

১৯ লক্ষ থেকে ‘বিদেশি’ মাত্র ৩২ হাজারে নেমে আসা মানে—

১। এনআরসি প্রক্রিয়ায় ভয়াবহ ত্রুটি

২। কোটি কোটি টাকার অপচয়

৩। লক্ষ মানুষের জীবন দুর্বিষহ করে তোলার প্রশাসনিক ব্যর্থতা

অসমের রাজনৈতিক অঙ্গনেই এখন প্রশ্ন—

“যে ১৯ লক্ষ মানুষকে সন্দেহভাজন বলা হয়েছিল, তাঁদের মানসিক ক্ষতি, সামাজিক ক্ষতি—সেটার দায় কে নেবে?”

Read More

Author: Saikat Bhattacharya

International geopolitics Hindu 29-November-2025 by east is rising

চীনের কোয়ান্টাম রাডার : বিশ্বের ক্ষমতা ভারসাম্য বদলে দিগন্তের উন্মোচন

লিখেছেন সইস ইসলাম

চীনা বিজ্ঞানীরা যুগান্তকারী এক রাডার আবিস্কার করতে সক্ষম হয়েছেন। এটি কোয়ান্টাম টেকনোলজি নির্ভর একটি রাডার সিস্টেম যা ফোটন কণার সাথে সমগোত্রীয় ফোটন কণার সংযোগ ঘটানোর মাধ্যমে ১০০ কিলোমিটার দুরের কোনো স্টেল্থ বৈশিষ্ট্য ধারী চলমান বস্তু যেমন ফাইটার জেট, বোম্বার, ইউ এ ভি এমনকি মিসাইল সনাক্ত করতে সক্ষম হবে।

এই যুগান্তকারী আবিস্কারের ফলে এতো দিন আকাশে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার ও বজায় কারী লক হিড মার্টিনের এফ ২২ রেপ্টর, এফ ৩৫, বি টু বোম্বার্ডার যা যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো সামরিক বাহিনী ব্যবহার করে অথবা এস ইউ সিরিজের সুখাই ৫৭ ইত্যাদি কিংবা অন্যান্য সেমি স্টেল্থ ফাইটার ও একই বৈশিষ্ট্য ধারী ইউ এ ভি এখন এই চীন কোয়ান্টাম রাডার এর নজরে পতিত হবে।

এই প্রযুক্তিগত সামরিক ও নিরাপত্তা ইকুইপমেন্ট আবিস্কারের ঘটনা আবারও আঞ্চলিক ও বিশ্ব সামরিক ভারসাম্য ও নিরাপত্তা আউটলুকে ব্যপক সক্ষমতা কেন্দ্রীক ভারসাম্যে বৈষম্য সৃষ্টি করবে বলা যায়। চীন নিজের জন্য ও তার সামরিক ও বানিজ্যিক কৌশলগত পার্টনারদের জন্য এই রাডার সুবিধা অবারিত করলে প্রথমত দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব থেকে তাইওয়ান প্রণালী এবং তার এক পাশে পশ্চিম এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য অন্যদিকে মধ্য এশিয়ার দেশগুলোকে নেট সিকিউরিটি প্রোভাইডার হিসেবে সরাসরি চীন না হলেও দেশটির এক নম্বর এলাই পাকিস্তানকে প্রতিষ্ঠিত করবে। এই ডেভেলপমেন্ট ভারত, তাইওয়ান এমনকি ইসরায়েলের accessibility to security nexus প্রক্রিয়াকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে তুলবে।

উপরন্তু সংশ্লিষ্ট এলাকায় যুক্তরাষ্ট্রের নৌ ফ্লিট গুলোর অবস্থান ও গতিবিধি পর্যবেক্ষিত হওয়ার ঝুঁকি বিবেচনায় এই নম্বর ওয়ান সামরিক শক্তিধর দেশটিকে এর পুরো ডক্ট্রিন নতুন আদলে রিডাইরেক্ট করতে হবে। পাশাপাশি পাল্টা প্রযুক্তির উদ্ভাবনে একটা বড় অর্থ

বিনিয়োগের বিষয়টি তো বলার অপেক্ষা রাখে না।

বাংলাদেশ কে হয়তো অদূর ভবিষ্যতে এই কঠিন বাস্তবতার বিবেচনায় এর নিরাপত্তা আউটলুকে বেশ কিছু সংস্কার সাধন করতে হবে। পরিস্থিতিটা সেই দিকে যাচ্ছে যেমনটা হয়েছিল জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন এর যবনিকা কালে। বরং এখন নির্ভেজাল মধ্য পন্থা অবলম্বনের স্পেস ক্রমশ সংকীর্ণ হয়ে যাচ্ছে তদস্থলে অনুপ্রবিষ্ট হচ্ছে, ন্যনো স্ট্র্যাটেজি। ন্যানো সেন্স

ডিপ্লোমেটিক এপ্রোচ। এটা বাইডেনের জমানায় আত্মপ্রকাশিত হয় যা সর্ব প্রথম শি জিন পিং আত্মস্থ করে এবং তড়িৎ গতিতে তাঁর আঞ্চলিক এমনকি বিশ্ব আউটলুকে সন্নিবেশিত করেন। এই বিদ্যা চীনের প্রধান শিষ্য পাকিস্তান অতি দক্ষতার সহিত রপ্ত করে এবং তা প্রয়োগে নিয়োজিত হয়। এর ফলাফল আসে আশাতীত মাত্রায়। ইরানের সাথে ঘনিষ্ঠ মিত্রতা এবং অপারেশন সিঁদুরে অভাবনীয় সাফল্য প্রদর্শনের পর খোদ ট্রাম্পের

নেক নজরে আসা। ব্যক্তিগত পর্যায়ে পছন্দ প্রকাশ করা এবং নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য ট্রাম্প এর নাম প্রস্তাব করার মধ্য দিয়ে এই নব ডিপ্লোম্যাসি একটা পরিনতির বার্তা প্রদান করে। গভীর ভাবে পর্যবেক্ষণ করলে অনুধাবন করা যায় এর পিছনে শি জিন পিং এর ছায়ার উপস্থিতি। একটি রাডার আবিস্কারের ঘটনা এমন কোনো বড় আকারের পরিবর্তনের কারণ হতে পারে না। হয় নি। কিন্তু এই রাডার আবিস্কার শুধু কোনো যন্ত্র তৈরির কাহিনি নয়। বরং বিশ্বের ক্ষমতা ভারসাম্য বদলের সুস্পষ্ট এক দিগন্তের উন্মোচন।

Read More

Author: Saikat Bhattacharya

Technology news General USA vs China 29-November-2025 by east is rising


A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: touch(): Unable to create file ci_session/ci_sessione2gkpavbd6mqojp81m28e3d9ruqk2010 because No such file or directory

Filename: drivers/Session_files_driver.php

Line Number: 252

Backtrace:

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: session_write_close(): Failed to write session data using user defined save handler. (session.save_path: ci_session, handler: CI_Session_files_driver::updateTimestamp)

Filename: Unknown

Line Number: 0

Backtrace: