ডার্ক ম্যাটার গড়ছে আর ডার্ক এনার্জি ভাংছে?

কোটি কোটি নক্ষত্র, ছায়াপথ আর নীহারিকার আলোয় ঝলমলে এক শান্ত, সুশৃঙ্খল মহাবিশ্ব। ​কিন্তু মহাবিশ্ব আমাদের সাথে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ধোঁকাবাজিটা করছে।

​আপনি, আমি, জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ কিংবা কোটি কোটি গ্যালাক্সির রূপালী আলো যা কিছু আমরা আজ পর্যন্ত দেখতে পেয়েছি বা ছূঁতে পেরেছি, তা আসলে এই অনন্ত মহাবিশ্বের কতটুকু জানেন? মাত্র ৫ শতাংশ!

​বাকি ৯৫ শতাংশ মহাবিশ্ব সম্পূর্ণ গায়েব! আমরা এক বিশাল, অদৃশ্য মহাসমুদ্রের বুকে ভাসছি, যার অস্তিত্ব সম্পর্কে আমরা প্রায় অন্ধ। ​তাহলে কী লুকিয়ে আছে এই করাল অন্ধকারে? বিজ্ঞানীদের ঘুম উড়িয়ে দেওয়া সেই গল্পটা শুরু হয়েছিল ১৯৩০-এর দশকে।

​জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা যখন দূরান্তের গ্যালাক্সিগুলোর ঘূর্ণন গতি মাপলেন, তখন তাঁদের মেরুদণ্ড দিয়ে ঠান্ডা স্রোত বয়ে গেল। গ্যালাক্সিগুলো এত অবিশ্বাস্য গতিতে ঘুরছিল যে, পদার্থবিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী সেগুলোর ভেতরের নক্ষত্র, গ্রহ সব ছিটকে মহাশূন্যে হারিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল পুরো গ্যালাক্সির।

​কিন্তু তারা ছিটকে যাচ্ছে না! কোনো এক অদৃশ্য, দানবীয় হাত পুরো গ্যালাক্সিকে শক্ত মুঠোয় চেপে ধরে রেখেছে।

​বিজ্ঞানীরা এর নাম দিলেন: ডার্ক ম্যাটার।

​এটি কোনো আলো ছাড়ে না, আলো গিলে খায় না, এমনকি আলো এর ওপর পড়লে প্রতিফলিতও হয় না। অর্থাৎ, আপনার সামনে যদি এক পাহাড় সমান ডার্ক ম্যাটার এনে রাখা হয়, আপনি তার আরপার সবকিছু দেখতে পাবেন, অথচ সেখানে ধাক্কাও খাবেন না!

​সে এক পরম ভূতুরে অস্তিত্ব। সে যেন মহাবিশ্বের এক অদৃশ্য স্থপতি, যে নিজের কাঁধে করে পুরো মহাজাগতিক কাঠামোকে ধরে রেখেছে। যদি আজ ডার্ক ম্যাটার উধাও হয়ে যায়, তবে মুহূর্তের মধ্যে আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি ছিঁড়ে টুকরো টুকরো হয়ে যাবে!

রহস্যের এখানেই শেষ নয়। ১৯৯৮ সালে মহাবিশ্ব বিজ্ঞানীদের মুখে ছুঁড়ে দিল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় কসমিক টুইস্ট! ​বিজ্ঞানীরা মহাজাগতিক বিস্ফোরণ বা সুপারনোভা পরীক্ষা করে ভেবেছিলেন, মহাকর্ষের টানে মহাবিশ্বের প্রসারণের গতি হয়তো আস্তে আস্তে কমে আসছে। কিন্তু ডেটা কম্পিউটারের স্ক্রিনে ভেসে উঠতেই বিজ্ঞানীদের চোখ কপালে উঠল। ​মহাবিশ্বের গতি কমছে না বরং তা অপ্রতিরোধ্য গতিতে, ক্রমশ আরও দ্রুত থেকে দ্রুততর হয়ে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে!

​মহাকর্ষের নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে কোন সে আদিম শক্তি, যা পুরো স্থান বা স্পেসকে বেলুনের মতো ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে তুলছে? কে ঠেলছে এই মহাবিশ্বকে? ​তার নাম দেওয়া হলো ডার্ক এনার্জি। মহাবিশ্বের প্রায় ৬৮% এলাকাজুড়ে রাজত্ব করছে এই ভৌতিক শক্তি।

মহাবিশ্ব এখন যেন মেতে উঠেছে এক অনন্ত, মহাজাগতিক টাগ-অব-ওয়ার বা দড়ি টানাটানি খেলায়! ​একদিকে ডার্ক ম্যাটার, যে তার মহাকর্ষের অদৃশ্য মায়াজালে সবকিছুকে একসাথে বেঁধে রাখতে চাইছে। গ্যালাক্সি গড়ছে, প্রাণ সৃষ্টির সুযোগ করে দিচ্ছে। ​অন্যদিকে ডার্ক এনার্জি, যে এক উন্মাদ দানবের মতো স্থান-কালকে চাবুক মেরে সবকিছুকে একে অপরের থেকে দূরে, বহুদূরে ঠেলে দিচ্ছে। একটি তৈরি করছে, অন্যটি ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। অদ্ভুত এক যুদ্ধক্ষেত্রের মতো।

আর আমরা? আমরা দাঁড়িয়ে আছি এই মহাকাব্যিক নাটকের মঞ্চে। সবচেয়ে রোমাঞ্চকর আর ভয়ের বিষয় কী জানেন? এই খেলায় ডার্ক এনার্জি জিতে যাচ্ছে! মহাবিশ্বের প্রসারণের গতি যেভাবে বাড়ছে, তাতে কোটি কোটি বছর পর আকাশের বাকি সব গ্যালাক্সি আমাদের থেকে এত দূরে চলে যাবে যে, রাতের আকাশ হয়ে যাবে সম্পূর্ণ কুচকুচে অন্ধকার।

আজকের আধুনিক বিজ্ঞান এত উন্নত, অথচ আমরা এখনো জানি না ডার্ক ম্যাটার আসলে কী কণা দিয়ে তৈরি, আর ডার্ক এনার্জির আদি উৎসটাই বা কী! মহাবিশ্বের সিংহভাগ জুড়ে রাজত্ব করা এই দুই সম্রাট আমাদের আধুনিক বিজ্ঞান, ল্যাবরেটরি আর টেলিস্কোপকে প্রতিনিয়ত উপহাস করে চলেছে।

​হয়তো আগামী দিনে কোনো এক নতুন আইনস্টাইন এসে উন্মোচন করবেন এই পরম রহস্যের পর্দা। কিংবা হয়তো, আমরা এমন এক বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছি, যা আমাদের চেনা পদার্থবিজ্ঞানের সব বইকে চিরদিনের জন্য ভুল প্রমাণ করে দেবে! ​কারণ মহাবিশ্বের আসল রোমাঞ্চ সেই আলোতে নেই যা আমরা দেখতে পাই। আসল রোমাঞ্চ তো লুকিয়ে আছে সেই গা ছমছমে অন্ধকারে, যা আমরা অনুভব করি, কিন্তু এখনো ছুঁতেইইই পারিনি

Read More

Author: Saikat Bhattacharya

mythical General 24-June-2026 by east is rising

মহাবিশ্বের সমাপ্তি থেকেই জন্ম নেয় আরেকটা নতুন মহাবিশ্ব

কনফর্মাল সাইক্লিক কসমোলজি

ধরুন, আপনাকে বলা হলো মহাবিশ্বের কোনো শুরু নেই।না, এটা কোনো বিশ্বাস নয়। এটা একজন নোবেলজয়ী পদার্থবিজ্ঞানীর গাণিতিক প্রস্তাবনা। তিনি বলছেন, আমরা যে বিগ ব্যাংকে "সবকিছুর শুরু" বলে জানি সেটা আসলে শুরু নয়। সেটা হতে পারেএকটা পুনরাবৃত্তি।

পরিচিত গল্পটা প্রথমে বলি আমরা সবাই জানি প্রায় ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে, একটি বিন্দু থেকে বিস্ফোরিত হয়েছিল আমাদের মহাবিশ্ব। এটাই বিগ ব্যাং। স্কুলের বইতে, ডকুমেন্টারিতে, সব জায়গায় এই গল্পটাই বলা হয়।

কিন্তু আসল প্রশ্ন হলো বিগ ব্যাংয়ের আগে কী ছিল? এই প্রশ্নটা শুনতে সহজ। কিন্তু পদার্থবিজ্ঞানের ইতিহাসে এই একটা প্রশ্ন বহু বিজ্ঞানীর ঘুম কেড়ে নিয়েছে। পেনরোজের সাহসী প্রস্তাব। এই প্রশ্নের একটা অপ্রচলিত উত্তর দিয়েছিলেন নোবেলজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী রজার পেনরোজ।

তার তত্ত্বের নাম Conformal Cyclic Cosmology, সংক্ষেপে CCC। তিনি বললেন, বিগ ব্যাং মহাবিশ্বের একদম শুরুর বিন্দু নয়। এটা হতে পারে একটা নতুন মহাজাগতিক অধ্যায়ের সূচনামাত্র। মানে আগেও কিছু একটা ছিল। আর সেটাই শেষ হয়ে জন্ম দিয়েছে আমাদের এই মহাবিশ্বকে।

শুনতে অবিশ্বাস্য লাগছে? আসল ধাঁধাটা এখনো শুরুই হয়নি। শেষ কীভাবে শুরু হয়ে যায়? মহাবিশ্ব প্রতি মুহূর্তে প্রসারিত হচ্ছে। দূরের গ্যালাক্সিগুলো একে অপরের থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। প্রতিনিয়ত, প্রতিক্ষণ। কোটি কোটি বছর পর কী হবে?

একে একে নিভে যাবে নক্ষত্ররা। গ্যালাক্সিগুলো ছড়িয়ে পড়বে অসীম শূন্যতায়। মহাবিশ্ব হয়ে উঠবে এমন ঠান্ডা, এমন ফাঁকা, যে সেখানে আর কোনো জটিল কাঠামো কোনো গ্রহ, কোনো নক্ষত্র, কোনো জীবন অবশিষ্ট থাকবে না। এটাকেই বলা হয় মহাবিশ্বের তাপীয় মৃত্যু।

কিন্তু আসল প্রশ্ন হলো পেনরোজ এই চূড়ান্ত মৃত্যুর মধ্যে কী দেখলেন? তিনি দেখলেন এই চরম শেষ অবস্থা আর একটা নতুন বিগ ব্যাংয়ের ঠিক পরের অবস্থা। এই দুটোর মধ্যে আছে এক আশ্চর্য গাণিতিক মিল।

তার মানে কী? মহাবিশ্বের "শেষ" আর পরের মহাবিশ্বের শুরু গণিতের ভাষায় এই দুটো আসলে একই বিন্দু হতে পারে। মৃত্যু আর জন্ম, এক জায়গায় মিশে যাচ্ছে।

এয়ন। সময়ের এক একটা অধ্যায়। পেনরোজ মহাবিশ্বের প্রতিটি বিশাল যুগকে নাম দিয়েছেন Aeon।

একটা এয়ন শুরু হয় বিগ ব্যাং দিয়ে। তারপর একে একে জন্ম নেয় গ্যালাক্সি, নক্ষত্র, গ্রহ। হয়তো কোথাও জন্ম নেয় জীবনও আমাদের মতোই কৌতূহলী কোনো সত্তা যে আকাশের দিকে তাকিয়ে নিজের অস্তিত্বের উৎস খুঁজছে। মহাবিশ্ব প্রসারিত হতেই থাকে। অবশেষে সেই এয়ন তার শেষ সীমায় পৌঁছায়।

কিন্তু সেই শেষটাই শেষ কথা নয়। সেই সমাপ্তি থেকেই জন্ম নেয় আরেকটা নতুন এয়ন যেটা আমাদের কাছে দেখা দেয় সম্পূর্ণ নতুন একটা বিগ ব্যাং হিসেবে। একটা এয়নের শেষ, আরেকটা এয়নের শুরু। চক্রের পর চক্র। অনন্তকাল ধরে। তাহলে মহাবিশ্বের কি কোনো শুরুই নেই?

একটা বৃত্তের কোথায় শুরু, কোথায় শেষ বলতে পারবেন? CCC বলছে, মহাবিশ্বও হয়তো ঠিক তেমনই। কোনো একক "প্রথম মুহূর্ত" হয়তো কখনোই ছিল না। একটা মহাবিশ্বের ভবিষ্যৎ হয়ে যায় আরেকটা মহাবিশ্বের অতীত। অসীম এক শৃঙ্খলে আমরা হয়তো শুধু একটা মাত্র লিংক।

পেনরোজ নিজেই দাবি করেছিলেন, মহাজাগতিক মাইক্রোওয়েভ পটভূমি বিকিরণে যাকে আমরা বলি CMB, পুরো আকাশ জুড়ে ছড়িয়ে থাকা মহাবিশ্বের আদিমতম আলোর ছাপ সেখানে নাকি কিছু বিশেষ বৃত্তাকার নিদর্শন পাওয়া যায়।

তার দাবি ছিল, এই বৃত্তগুলো হতে পারে আগের এয়নের শেষ মুহূর্তের চিহ্ন যেন আগের মহাবিশ্বের একটা স্বাক্ষর, যা এখনো আমাদের আকাশে লুকিয়ে আছে।

রোমাঞ্চকর শোনাচ্ছে তাই না? কিন্তু আসল প্রশ্ন হলো: "বিজ্ঞানী মহল কি এটা মেনে নিয়েছে?: উত্তরটা হলো: "না, এখনো নয়।" অধিকাংশ গবেষক এই বৃত্তাকার নিদর্শনগুলোকে নিশ্চিত প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করেননি। গভীর বিশ্লেষণে বহুবার দেখা গেছে, এই প্যাটার্নগুলো নিছক পরিসংখ্যানগত কাকতালীয় ঘটনাও হতে পারে।

তাহলে বিজ্ঞান কী বলছে? CCC একটা গাণিতিকভাবে অত্যন্ত পরিশীলিত ও কল্পনাপ্রবণ তত্ত্ব। কিন্তু এটা এখনো মূলধারার মহাকাশবিজ্ঞানের প্রতিষ্ঠিত সত্য নয়।

বর্তমানে বিজ্ঞানীরা একমত যে, বিগ ব্যাং তত্ত্ব মহাবিশ্বের প্রাথমিক বিবর্তন দারুণভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে। কিন্তু বিগ ব্যাংয়ের আগে আসলে কী ছিল সেই প্রশ্নের চূড়ান্ত, সর্বসম্মত উত্তর আজও কারো কাছে নেই। এই CCC সেই সম্ভাব্য উত্তরগুলোর একটা মাত্র। হয়তো সঠিক। হয়তো নয়।

আসলে আমরা হয়তো ভাবি, আমরা সময়ের একদম শুরুতে দাঁড়িয়ে আছি দেখার জন্য যে মহাবিশ্ব কীভাবে শুরু হলো। কিন্তু পেনরোজের তত্ত্ব যদি সত্যি হয়, তাহলে আমরা আসলে দাঁড়িয়ে আছি এক অসীম চক্রের মাঝখানে। না কোনো শুরু, না কোনো শেষ। শুধু এক অধ্যায় থেকে আরেক অধ্যায়ে চিরন্তন রূপান্তর।

আমাদের মহাবিশ্বের আগে হয়তো ছিল আরেকটা মহাবিশ্ব। আর আমাদের মহাবিশ্বের ছাইভস্ম থেকেই হয়তো জন্ম নেবে আরেকটা নতুন জগৎ নতুন নক্ষত্র, নতুন গ্রহ, হয়তো নতুন কোনো সত্তা, যে আবার আকাশের দিকে তাকিয়ে একই প্রশ্ন করবে।

প্রশ্ন একটাই থেকে যায়: "আমরা কি এখনো আমাদের আগের মহাবিশ্বের কোনো চিহ্ন বহন করে চলেছি, নাকি সেই ইতিহাস চিরতরে হারিয়ে গেছে মহাজাগতিক অন্ধকারে?"

Read More

Author: Saikat Bhattacharya

mythical General 24-June-2026 by east is rising

চীনের গবেষকরা প্রথমবারের মতো এমন একটি Brain-Spine Interface (BSI) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ক্ষাঘাতগ্রস্ত একজন রোগী অস্ত্রোপচারের মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দাঁড়াতে ও হাঁটার অনুশীলন শুরু করেছেন

চীনের গবেষকরা প্রথমবারের মতো এমন একটি Brain-Spine Interface (BSI) প্রযুক্তি ব্যবহার করেছেন, যার মাধ্যমে সম্পূর্ণ পক্ষাঘাতগ্রস্ত একজন রোগী অস্ত্রোপচারের মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দাঁড়াতে ও হাঁটার অনুশীলন শুরু করেছেন।

এই প্রযুক্তিতে মস্তিষ্কের মোটর কর্টেক্সে মাত্র ১ মিলিমিটার আকারের দুটি ক্ষুদ্র ইলেকট্রোড বসানো হয়। এরপর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) রোগীর মস্তিষ্কের সংকেত বিশ্লেষণ করে সেই তথ্য মেরুদণ্ডে পাঠায়। ফলে মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডের মধ্যে একটি নতুন "নিউরাল ব্রিজ" তৈরি হয়, যা আবার পায়ের নড়াচড়া নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

পুরো অস্ত্রোপচার শেষ হয় মাত্র ৪ ঘণ্টায়। গবেষণা দল জানিয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে করা আরও ৩টি পরীক্ষামূলক অস্ত্রোপচারেও গুরুতর স্পাইনাল কর্ড ইনজুরিতে আক্রান্ত রোগীরা দুই সপ্তাহের মধ্যে পা নাড়াতে ও হাঁটার সক্ষমতা ফিরে পেয়েছেন।

গবেষকদের মতে, এটি শুধু একটি প্রযুক্তিগত অর্জন নয়—বরং বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ পক্ষাঘাতগ্রস্ত মানুষের জন্য নতুন আশার দুয়ার খুলে দিতে পারে। যদিও প্রযুক্তিটি এখনও পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে, তবুও ভবিষ্যতের চিকিৎসাবিজ্ঞানে এটি বড় পরিবর্তন আনতে পারে। বিজ্ঞানপোকা পরিবার

Read More

Author: Saikat Bhattacharya

Technology news General world order 24-June-2026 by east is rising