Turkiye To Build Combat Drone Factory In Pakistan

Turkiye is planning a combat-drone assembly facility in Pakistan, aiming to export stealth and long-endurance drones for local assembly.

The move strengthens Ankara’s global defense ambitions and deepens military cooperation with Islamabad, building on joint projects like F-16 upgrades, TF-X fighter jet research, and Anka UAV production with technology transfer.

The new facility would enhance Pakistan’s access to advanced dr0ne technology while supporting Turkiye’s $7.5 billion defe_nse exports. Talks come amid regional tens_ions with India and Afghanistan. Previous deals include T-129 ATAK helicopters and corvette warships.

Read More

Author: Saikat Bhattacharya

Technology news General Unipolar vs Multi-polar 07-December-2025 by east is rising

বাংলাদেশ ভারত সম্পর্কে নাটকীয় মোড়: মোদি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করবে

দু’দেশের মধ্যে স্বাভাবিক কূটনৈতিক সম্পর্কও স্থবির হয়ে গেল। অঘোষিত রণাঙ্গনে পরিণত হলো দু’দেশের সীমান্ত। এর আগে ৫ই আগস্ট সীমান্ত খুলে দিলো ভারত। দলবেঁধে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দেশ ছাড়লেন। অসমর্থিত খবর- প্রায় ৫০ হাজার নেতাকর্মী আশ্রয় নিলেন ভারতে। এভাবেই চললো প্রায় ১০ মাস।

জুন থেকে নাটকীয় পরিবর্তনের দিকে পরিস্থিতি গড়াতে শুরু করলো। ইউরোপীয়  একটি দেশের দূতিয়ালিতে ভিন্ন এক পরিস্থিতি।

দরজা খুললো আলোচনার। সীমিত পর্যায়ের যোগাযোগ। তবে সংশয় আর সন্দেহ মাঝখানে দেয়াল হয়ে রইলো। কোথায় যেন গোলমাল। তৃতীয় দেশটি আলোচনার তাগিদ দিলো। যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকাও এখানে অনেকখানি।

তারা জানিয়ে দিলো, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে টানাপড়েন কাম্য নয়। ভূ-রাজনৈতিক কারণে দু’দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিকল্প নেই। নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন এমন বার্তা নিয়ে খুব শিগগিরই ঢাকায় আসছেন। 

এই পটভূমিতেই ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল ও বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপিত হয়। প্রাথমিক আলোচনার পর দিল্লিতে ড. খলিলকে আমন্ত্রণ জানান অজিত দোভাল। বৈঠকটি হয় অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে। দু’পক্ষের মধ্যে বিদ্যমান দূরত্ব কমানোর তাগিদ আসে অনেকটা অপ্রত্যাশিতভাবে। সম্পর্ক স্বাভাবিক করার দিকে মনোযোগ দেন তারা।

এর আগের খবর- ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অনেকটা নাটকীয়ভাবে বাংলাদেশ সম্পর্কে তার নীতি পরিবর্তনের পক্ষে মত দেন। 

জাতীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতায় নরেন্দ মোদির টুইট এরই স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়। এজেন্সিনির্ভর কৌশল বাদ দিয়ে মোদি রাজনৈতিকভাবে সম্পর্কোন্নয়নের সিদ্ধান্ত নেন নীতিনির্ধারকদের বৈঠকে।

জাতীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতায় নরেন্দ মোদির টুইট এরই স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়। এজেন্সিনির্ভর কৌশল বাদ দিয়ে মোদি রাজনৈতিকভাবে সম্পর্কোন্নয়নের সিদ্ধান্ত নেন নীতিনির্ধারকদের বৈঠকে।

দু’দেশের মধ্যে ১৫ মাস কূটনীতি ছিল অনেকটা অনুপস্থিত। এজেন্সির ওপর নির্ভরশীল ছিলেন ভারতের নীতিনির্ধারকরা।

পর্যালোচনা করে তারা দেখতে পান- ওই কৌশল ভুলে ভরা। এতে সম্পর্কের উন্নতি হবে না। বরং আরও তিক্ততা বাড়বে। ঢাকায় ভারতবিরোধী কাফেলা আরও লম্বা হবে।

দু’দেশের সম্পর্কোন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে নীতি-কৌশল সাজালেন নরেন্দ্র মোদি। কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, নরেন্দ্র মোদি নিজেই এখন বাংলাদেশ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন। নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালকে সম্পর্ক এগিয়ে নেয়ার দায়িত্ব দিয়েছেন ইতিমধ্যেই।

ভারতীয় নীতিনির্ধারকরা এখন বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন, তাদের নীতি-কৌশলের কারণে ঢাকায় ভারতবিরোধী প্রচারণাই শুধু বাড়েনি, এই সুযোগে অন্য একটি শক্তি ঢুকে পড়েছে।

যা এক সময় উদ্বেগের কারণ হতে পারে। ’৭১ সনে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় ভারতের যে অবদান ছিল তাও মানুষ ভুলে যাবে।

(কমপক্ষে ১০ বছর আগেই মানুষ বাংলাদেশের মানুষ এটা ভুলে গেছে)

আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পর্কের পুনর্মূল্যায়নের পরামর্শ দেন কেউ কেউ।

তারা বলেন, বাংলাদেশকে কোনো অবস্থাতেই হাতছাড়া করা যাবে না। হাত বাড়াতে হবে বন্ধুত্বের। সম্পর্ক করতে হবে স্বাভাবিক। ঢাকার তরফে বলা হয়েছে, দরজা খোলা, যে কেউ আসতে পারে। আমরা কাউকে বিশেষভাবে আমন্ত্রণ জানাইনি।

এখানে বলে রাখা ভালো- এই মুহূর্তে ভারতের ভেতরেই বাংলাদেশ নীতির কড়া সমালোচনা করছেন কেউ কেউ।

এরই মধ্যে বাংলাদেশবিরোধী প্রচারণা কিছুটা থেমেছে। বদলে গেছে মিডিয়ার শিরোনামও। বিশ্লেষকরা বলছেন, ভুল নীতির কারণে একইভাবে দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোও ভারত থেকে নিরাপদ দূরত্বে চলে যাচ্ছে। যার সুযোগ নিচ্ছে দূরের এবং কাছের শক্তি।

- মতিউর রহমান চৌধুরী, মানবজমিন 

( সংকলিত) https://mzamin.com/news.php?news=192954&fbclid=IwY2xjawOh6C5leHRuA2FlbQIxMABicmlkETFxUlhuQ29iVEhtbGdhSTUwc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHtLrNiDYCTSy7pCkR6Xq17T9mWhdNP-e7WVWGnMhYeb9mOuXFjn4wJ8IYt7Z_aem_nFr9zwDC-XNU9NJVThv7oQ

আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে পাকিস্তানের উদ্যোগে চীন এবং বাংলাদেশকে নিয়ে নতুন একটি জোট (সামরিক) করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে এই উদ্যোগকে ভেস্তে দিতেই আমেরিকার এরকম তড়িঘড়ি।

আর প্রতিবেদনে ইউরোপের যে একটি দেশের কথা বলা আছে এটা সম্ভবত ব্রিটেন

যাই হোক ভাrত বাংলাদেশের এক নাম্বার জাতীয় শত্রু এবং পিলখানা গণhত্যার প্রতিশোধ নিতে হবে এই বয়ান দিনে তিন বেলা স্মরণ করে ভারতের সাথে বন্ধুত্বের অভিনয় করা যেতে পারে।

কিন্তু তার আগে হাসিনাকে ফেরত দিয়ে তারা আগে প্রমাণ করুক তারা বন্ধুত্ব চায় কিনা।

Masum Hossain

Read More

Author: Saikat Bhattacharya

International geopolitics General Unipolar vs Multi-polar 07-December-2025 by east is rising