পশ্চীম বঙ্গে কেন ৪০-জনের বেশি মুসলমান বিধায়ক সম্ভব না

একটা কথা প্রায়ই শোনা যায়: কেন পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ হওয়া সত্ত্বেও তৃণমূলের কেবলমাত্র ৪০ জন বিধায়ক মুসলমান? অর্থাৎ বহু মুসলমান বলতে চায় তৃণমূলের সমস্ত বিধায়ক সংখ্যার (২১৩) এক-তৃতীয়াংশ (৭১) মুসলমান হওয়া উচিত। কিন্তু যদি আমরা খুব ভালো করে পর্যবেক্ষণ করি আমরা বুঝতে পারবো আসলেই চল্লিশের বেশি মুসলমান বিধায়ক তৈরি করা তৃণমূলের পক্ষে সম্ভব নয়।

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যাবে চল্লিশটা বিধানসভা সিটে মুসলমানরা ৫০ শতাংশের ওপর ভোটদাতা। এই চল্লিশটা বিধানসভার মধ্যে তিনটে বিধানসভা আবার এখনো পর্যন্ত এসসি সংরক্ষণের আওতায় আছে (মিনাখা, নবগ্রাম ও খরগ্রাম)। অর্থাৎ ৩৭টা বিধানসভায় তৃণমূল মুসলমান ক্যান্ডিডেট দিলে অনায়াসে জিততে পারে।

কেবলমাত্র ১৩ টা বিধানসভায় ৪০% এর ওপর মুসলমান ভোটদাতা। এর মধ্যে দুটো আসন হল এস সি সংরক্ষিত (স্বরুপনগর ও হেমতাবাদ)। অর্থাৎ ১১ টায় মুসলমান ক্যান্ডিডেট দিলে তৃণমূলের জয়ের সম্ভাবনা যথেষ্ট। কিন্তু মনে রাখার দরকার এখানে হিন্দু মুসলমান ভোটদাতাদের মধ্যে বিভাজন খুব সুস্পষ্ট হয়ে উঠলে বিজেপি সুবিধা নিতে পারে। অর্থাৎ সমস্ত মুসলমান ভোটদাতাদের সঙ্গে কিছু হিন্দু ভোট অবশ্যই যুক্ত করতে হবে যদি তৃণমূল ক্যান্ডিডেটকে জিততে হয়। এই হিন্দু ভোট যুক্ত হওয়ার সুবিধা হয় যদি তৃণমূল সেখানে হিন্দু ক্যান্ডিডেট দেয়। এবং সেখানে হিন্দু নেতৃত্ব যদি থাকে তাহলেই কেবলমাত্র তৃণমূল মুসলমান ভোটদাতাদের সঙ্গে কিছু হিন্দু ভোট যুক্ত করতে সক্ষম হবে। খুব স্বাভাবিকভাবেই এই ১১টা কেন্দ্রের অধিকাংশই তৃণমূল হিন্দু ক্যান্ডিডেট দিতে বাধ্য হয়। কারণ এই সমস্ত জায়গায় মুসলমান ক্যান্ডিডেট দিলে সমস্ত হিন্দু ভোটই বিজেপিতে পড়ার সমূহ সম্ভাবনা থাকে।

৮৯ টা বিধানসভায় মুসলমান ভোটদাতা ২০ থেকে ৪০ শতাংশের মধ্যে। এই সিটগুলো যথেষ্ট পরিমাণে মুসলমান ভোটদাতা প্রভাবিত হলেও সেখানে মুসলমান ক্যান্ডিডেট দেওয়ার অর্থ হল হিন্দু ভোট আরো বেশি বেশি করে বিজেপির দিকে চলে যাবে। এবং এই ৮৯ টা সিটে বিজেপি হিন্দু মুসলমান বিভাজন করতে সক্ষম হলে খুব অনায়াসে জিতে যাবে। এছাড়াও এই কেন্দ্র গুলির অনেকগুলোই এসসি সংরক্ষিত। ৩০ শতাংশের ওপর মুসলমান আছে এমন বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে আটটা বিধানসভা কেন্দ্র এসসি সংরক্ষিত। এই এসসি সংরক্ষিত আসন গুলোতে মুসলমান ক্যান্ডিডেট দেওয়া এমনিতেও সম্ভব নয়।

অতয়েব আমরা বলতে পারি মুসলমান অধ্যুষিত ৩৭ টা বিধানসভা কেন্দ্র এবং ৪০% এর ওপর মুসলমান ভোটদাতা সম্মিলিত ১১ টা বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল মুসলমান ক্যান্ডিডেট দিতে পারে। এর মধ্যে ৩৭ টা অবশ্যই জিতবে। ১১ টার মধ্যে কিছু ক্ষেত্রে জিততে পারে আবার কিছু ক্ষেত্রে হারতে পারে। অর্থাৎ ৪০-৪২ টার বেশি মুসলমান বিধায়ক তৃণমূলের পক্ষে বার করা সম্ভব নয়।

তবে মিনাখা, নবগ্রাম, খড়গ্রাম, স্বরূপনগর ও হেমতবাদ খুব শীঘ্রই এসসি সংরক্ষণ থেকে বাদ দেওয়া উচিত। আর তাহলে মুসলমান ক্যান্ডিডেট তৃণমূল কিছুটা বাড়াতে পারবে।

Read More

Author: Saikat Bhattacharya

Social General 21-September-2025 by east is rising

Laser Energy Powered Transport To Be Introduced In China

Frome Facebook Page of Trend Fuel 

China has just redefined the future of aviation by launching the world’s first laser-powered cargo drone, a groundbreaking leap that could change how goods are transported forever. This futuristic aircraft uses high-energy laser beams from ground stations to recharge mid-air, completely eliminating the need for traditional fuel or battery swaps.

Developed by a team of Chinese aerospace engineers, the drone is capable of flying long distances while receiving wireless laser power beamed from Earth. It marks the first successful implementation of laser-based energy transmission in a fully operational cargo drone, opening the door to uninterrupted flight for logistics and military applications.

This innovation solves one of the biggest hurdles in drone tech: limited battery life. With laser charging, drones could theoretically remain airborne for hours or even days without landing. It also reduces the environmental impact by removing the need for fossil fuels and lowering dependence on heavy lithium-ion batteries.

The drone's test flights were reportedly smooth and efficient, showcasing stable energy reception even during movement. Analysts believe this breakthrough could trigger a global race for laser-powered aviation, with China now leading the charge.

From emergency deliveries to long-range surveillance, the applications are endless. One thing is clear, China just hit the throttle on the future of airborne logistics.

Read More

Author: Saikat Bhattacharya

Technology news General 21-September-2025 by east is rising

চার বছরের মধ্যেই মানুষ অমর হবে ?

মানুষসহ পৃথিবীর কোনো প্রাণীই চিরকাল বেঁচে থাকে না— মৃত্যু প্রতিটি জীবের জন্য অবধারিত সত্য। তবে সেই মহাসত্য শিগগিরই পাল্টে যেতে পারে বলে দাবি করেছেন গুগলের সাবেক বিজ্ঞানী রে কার্জওয়েল। তার ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী, ২০২৯ সালের মধ্যেই মানুষ অমরত্ব অর্জন করবে।

৭৫ বছর বয়সী এই খ্যাতিমান কম্পিউটার বিজ্ঞানী বহুদিন ধরে জেনেটিক্স, ন্যানোটেকনোলজি ও রোবোটিক্স নিয়ে গবেষণা চালিয়ে আসছেন। তার মতে, ন্যানোপ্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) অগ্রগতির ফলে এমন এক যুগ আসছে যখন ন্যানোরোবট মানবদেহের ক্ষতিগ্রস্ত কোষ ও টিস্যু মেরামত করতে পারবে। এর ফলে মানুষ মৃত্যুকেও প্রতিহত করতে সক্ষম হবে।

রে কার্জওয়েল এর আগে “The Singularity is Near” নামক গ্রন্থে এই ভবিষ্যদ্বাণী প্রকাশ করেছিলেন। তিনি দাবি করেন, ২০২৯ সালেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রথমবারের মতো বৈধ টিউরিং টেস্টে উত্তীর্ণ হয়ে মানুষের সমান বুদ্ধিমত্তা প্রদর্শন করবে। এর পর থেকেই ন্যানোপ্রযুক্তি মানুষকে মৃত্যুহীন জীবনের দিকে নিয়ে যাবে।

এই বিজ্ঞানী এ পর্যন্ত ১৪৭টি ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন, যার মধ্যে ৮৫ শতাংশই সত্য প্রমাণিত হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি আগেই বলেছিলেন, একসময় বিশ্বের সেরা দাবাড়ুরাও কম্পিউটারের কাছে হার মানবে— যা সত্যি হয়েছিল ১৯৯৭ সালে, যখন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন গ্যারি কাসপারভ কম্পিউটার “ডিপ ব্লু”-এর কাছে হেরে যান।

তবে অমরত্ব নিয়ে তার এই ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে বিজ্ঞানমহলে ব্যাপক বিতর্ক চলছে। অনেক বিশেষজ্ঞই একে অবাস্তব বলে মনে করছেন। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও মানুষের মৃত্যুহীন জীবনকে অবাস্তব ও অগ্রহণযোগ্য বলে মনে করা হয়।

Read More

Author: Saikat Bhattacharya

Technology news General 21-September-2025 by east is rising


A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: touch(): Unable to create file ci_session/ci_sessioncf8a2815b66417d1ea172e527ec0f483f3d3ca64 because No such file or directory

Filename: drivers/Session_files_driver.php

Line Number: 252

Backtrace:

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: session_write_close(): Failed to write session data using user defined save handler. (session.save_path: ci_session)

Filename: Unknown

Line Number: 0

Backtrace: