বিচারপতি অমৃতা সিনহা বর্ডার অঞ্চলে বিএসএফ এর অত্যাচারের অভিযোগ নিয়ে যা বললেন, তার থেকে তিনটে বিষয় বেড়িয়ে আসে-
১) কে আক্রান্ত, কেন আক্রান্ত, আক্রমণ আইন মোতাবেক কিনা, এই সমস্ত প্রশ্নের অনুসন্ধান ছাড়াই যদি বিএসএফ কে ক্লিনচিট দেওয়া হয়, তাহলে আক্রান্ত ভারতীয় নাগরিকদের অসহায় অবস্থায় ফেলে দেওয়া হয়। বিএসএফ দ্বারা আক্রান্ত হলে সে আদালতের কাছে যাবে না তো কার কাছে যাবে? আদালত যদি এইভাবে মুখের উপর দরজা বন্ধ করে দেয়, তবে ভারতের বাঙালি নাগরিকদের অন্য অন্য পথে ঠেলে দেওয়া হয়, যা রাষ্ট্রের স্বাস্থ্যের জন্য ভাল নয়।।
২) সরকারি সশস্ত্র বাহিনীকে প্রশ্ন করা যাবে না, তারা যা করে সেটা ঠিক, এই মনোভাবটা মধ্যযুগীয়, রাজা জমিদারদের আমলের। গণতন্ত্রে এটা চলেনা। গণতন্ত্রে আদালতের কাছে সবাই সমান, কেউ বিচার, প্রশ্ন, তদন্তের এক্তিয়ারের বাইরে নয়। অমৃতা সিনহা যে ভাবে কথা বললেন সেটা আধুনিক রাষ্ট্রে চলে না।
৩) ২০২৮ সাল পর্যন্ত বাংলার ভোটার কমাবার জন্য কেন্দ্র যে কর্মসূচি নেবে, তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হলে, বাংলাদেশী তকমা দিয়ে ভারত কেন্দ্রের মেশিনারি কীরকম আচরণ করবে তার একটা আভাস।
(আপনি যদি মনে করেন বিচারপতির সমালোচনা করা উচিৎ নয়, তবে আপনি ওলা উবেরের টাইম মেশিন ডেকে মধ্যযুগে চলে যান।)
Author: Saikat Bhattacharya